চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশের কারাদণ্ড
ফাইল ছবি
নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২০ | ০০:৪৫ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
পিরোজপুরের নাজিরপুরে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে সরকারি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়ম ও কালোবাজারে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে আবুল কালাম সুতার (৫০) নামে এক ইউপি সদস্য এবং গোলাম মোস্তফা (৫৫) নামে এক গ্রামপুলিশকে আটক করা হয়েছে।
আটক আবুল কালাম উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আর গোলাম মোস্তফা ওই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান এ আদেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন নাজিরপুর থানার এসআই মো. সাইদুর রহমান।
উপজেলার বৈঠাকাটা বাজারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ওএমএস ডিলার মহসিনের গোডাউনে তল্লাশি করে ওই কর্মসূচির ২৬ বস্তা চাল উদ্ধার করেন ইউএনও ওবায়দুর রহমান। ওই চাল মার্চ মাসে বিতরণ করার কথা ছিলো। তবে তা কার্ডধারীদের না দেওয়ায় স্থানীয় ছরোয়ার হোসেন সুতারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে আটক ও কারাদণ্ড দেন ইউএনও।
ইউএনও ওবায়দুর রহমান বলেন, কার্ডধারী ছরোয়ার হোসেন সুতার তার নামে বরাদ্দ চাল না পেয়ে বিষয়টি মুঠোফোনে জানান। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ওই ইউনিয়নের বৈঠাকাটা বাজারে গিয়ে ওএমএস ডিলার মহসিনের গোডাউনে ইউপি সদস্য কালামসহ চালবঞ্চিত কার্ডধারীদের সঙ্গে কথা বলি। সেখানে ডিলার মহসিনকে পাওয়া না গেলেও ডিলারের চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা গ্রামপুলিশ গোলাম মোস্তফা ও ইউপি সদস্য আবুল কালাম চালের হিসাবনিকাশ সঠিকভাবে দেখাতে পারেননি। এমনকি চাল বিতরণের রেজিষ্ট্রারটিও দেখাতে পারেননি।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাহনাজ পারভীন বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি, এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
