তিস্তার পানি বেড়ে ডুবে গেছে নিচু এলাকা, বন্যার আশঙ্কা
তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে নৌকা নিয়ে চলাফেরা করছেন স্থানীয়রা। ছবি: সমকাল
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৩ | ১১:৫৬ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৩ | ১১:৫৬
অবিরাম বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে ডুবে গেছে তিস্তার নিচু এলাকা। বুধবার রাত থেকে ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, দহবন্দ, শান্তিরাম, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন।
সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার পানি এখনও বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে হু হু করে পানি আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গোটা চরাঞ্চল প্লাবিত হবে।
উপজেলা কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে উপজেলার ৫০০ হেক্টর জমির উঠতি আমন ধানসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। চরের রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগব্যবস্থা। ইতোমধ্যে অনেকে আশ্রয়কেন্দ্র, উঁচু স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
বেলকা চরের শিপন মিয়া বলেন, তিস্তায় ব্যাপকহারে পানি বাড়ছে। গাছপালাসহ বিভিন্ন জীবজন্তুর মরদেহ ভেসে আসতে দেখা যায়। বসতবাড়িতে পানি না ঢুকলেও ডুবে গেছে নিচু এলাকা। পানি যে হারে বাড়ছে, তাতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হরিপুর ডাঙ্গার চরের রাজ্জাক মিয়া বলেন, তার বসতবাড়ি আঙিনায় পানি ঢুকে পড়েছে। রাত নাগাদ ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়বে।
কাপাসিয়া ইউপির চেয়ারম্যান মনজু মিয়া জানান, পানি যে হারে ভারত থেকে আসছে, তাতে রাতারাতি তার ইউনিয়নের গোটা চরাঞ্চল ডুবে যাবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত উপজেলার চরাঞ্চলে কেউ পানিবন্দি না হলেও রাস্তাঘাট ডুবে গেছে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের অবস্থা মনিটরিং করা হচ্ছে।
- বিষয় :
- অবিরাম বর্ষণ
- প্লাবিত
