# সিডিএ-ডিটিসিএ বৈঠক
উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামকে মেট্রোরেলে যুক্ত করার প্রস্তাব
ডিটিসিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৪ | ২১:০২
মেট্রোরেল প্রকল্পে দক্ষিণ ও উত্তর চট্টগ্রামকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আজ সোমবার সিডিএ কার্যালয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ।
কোরিয়ার সাহায্য সংস্থা কইকার সহযোগিতায় চট্টগ্রামে মেট্রোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করছে ডিটিসিএ।
সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রামকে পরিকল্পিতভাবে বসবাসযোগ্য করার লক্ষ্যে আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তাই মেট্রোরেল প্রকল্প নিয়ে শুধুমাত্র বর্তমান শহরকে নিয়ে ভাবলে হবে না, বৃহত্তর চট্টগ্রাম তথা দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও উত্তর চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
মেট্রোরেলের পাশাপাশি সার্কুলার ট্রেনের উপর গুরুত্বারোপ করে মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্প আন্ডারগ্রাউন্ড হলে পরিবেশগত দিক যেমন বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও পাহাড়ি ঢল হলে কিভাবে মিটিগেট করা হবে তা যেন পরিকল্পনায় থাকে। প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে ত্বরান্বিত করার জন্য সিডিএ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে ডিটিসিএ প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেন সিডিএ চেয়ারম্যান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে মেট্রোরেল সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের পরিচালক ও ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মীর মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সিডিএ’র মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের পরিচালক ও উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মোহাম্মদ আবু ঈসা আনছারী, নগর পরিকল্পনাবিদ জহির আহম্মেদ, কোরিয়ার ইয়োসিন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইলহো চুং, জুনহেং জো ও সাঙ্গায়ো লি।
২০২২ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম শহরে মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় সরকার। মেট্রোরেল চালু করার আগে প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ৭০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়। ‘ট্রান্সপোর্ট মাস্টারপ্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর আরবান মেট্রোরেল ট্রানজিট কনস্ট্রাকশন ফর চিটাগাং মেট্রোপলিটন এরিয়া’ শীর্ষক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটি শুরুর সময় ধরা হয়েছে ২০২২ সালের অক্টোবর, যা শেষ হবে ২০২৫ সালের মার্চে। ৭০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে কোরিয়ার সাহায্য সংস্থা কইকা দেবে ৫৭ কোটি টাকা।
