সিলেটে ১৮টি ওয়ার্ডকে রেড জোন করার প্রস্তাব
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২০ | ১৪:১২
সিলেট নগরীর ২৭ ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিকে রেড জোন করার প্রস্তাব দিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার সিসিকের পক্ষ থেকে পুরো নগরীকে ওয়ার্ডভিত্তিক তিনটি জোনে ভাগ করা হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকেও রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনের প্রস্তাবনা সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল জানিয়েছেন, প্রত্যেক উপজেলার একেবারে ইউনিয়ন পর্যন্ত এবং সিলেট নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ড পর্যন্ত রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সভায় এটি চূড়ান্ত হলে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সিলেটের উপজেলাগুলোর অনেক এলাকাই রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অতিরিক্ত সংক্রমণের জন্য নগরীর ১৮টি ওয়ার্ডকে রেড জোনে রাখার পাশাপাশি ৪টি ওয়ার্ডকে ইয়েলো এবং ৫টি ওয়ার্ডকে গ্রিন জোনে রাখা হয়েছে। সিসিকের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, রেড জোনে রয়েছে ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড, ১২ থেকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং ১৯ থেকে ২২ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডগুলো পুরোপুরি লকডাউন হতে পারে।
এছাড়া নগরীর ১০, ১৫, ১৮ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডকে ইয়েলো জোনে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ড এবং ২৩ থেকে ২৬ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত তুলনামূলক কম সংক্রমিত এলাকা হিসেবে গ্রিন জোনে রাখা হয়েছে।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নগরীর করোনা শনাক্তের তালিকা যাচাই-বাছাই করে জোনিং করা হয়েছে।
সিসিকের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তাবিত তালিকা নিয়ে সোমবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত মাল্টি সেক্টরিয়াল কমিটির সভায় আলোচনা হবে। এই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত তালিকা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ে লকডাউন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেড জোন চিহ্নিত এলাকা পুরোপুরি লকডাউন করা হবে; সেখানে জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সবকিছু বন্ধ থাকবে।
- বিষয় :
- করোনাভাইরাস
- লকডাউন
- জোন ভাগ