কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
দুর্নীতির অভিযোগে ৩৯ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
.
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১০:৪৮ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:৫৪
দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক ও ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার এই নোটিশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তিনটি তদন্ত কমিটি ওইসব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এই কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তার লিখিত জবাব আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়া শিক্ষকরা হলেন– সহকারী অধ্যাপক মুশফিকুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন তানিয়া ও সহযোগী অধ্যাপক কামাল উদ্দীন, অধ্যাপক জাহিদুল কবীর, অধ্যাপক মুশাররাত শবনম, সহযোগী অধ্যাপক নগরবাসী বর্মণ, সহযোগী অধ্যাপক মাসুম হাওলাদার, তারিফুল ইসলাম, প্রভাষক খাইরুল ইসলাম, অধ্যাপক মার্জিয়া আক্তার, অধ্যাপক মো. সাহাবউদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুব হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা, সহকারী অধ্যাপক অন্তরা মাহবুব, অধ্যাপক মোল্লা আমিনুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ মেহেদী উল্লাহ, অধ্যাপক সেলিম আল মামুন, সহকারী অধ্যাপক ফারজানা খানম এবং সহযোগী অধ্যাপক তুহিনুর রহমান।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন– সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম, উপপ্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবদুল হালিম, অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মাহবুব ইলাহী, প্রকৌশল দপ্তরের কেয়ারটেকার মো. আসাদুজ্জামান, পারসোনাল অফিসার রেবেকা সুলতানা, পারসোনাল অফিসার রোজিনা বেগম, হল সুপার সোহেল রানা, ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মমতাজ বেগম, উপরোজিস্ট্রার নাজমুল হুদা, সহকারী প্রকৌশলী জান্নাতুন নাঈম, উপপরিচালক ওমর ফারুক সরকার, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রেবেকা সুলতানা, সহকারী পরিচালক এস এম কাউসার আহমেদ, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নির্মল চন্দ্র সাহা, অতিরিক্ত পরিচালক রাধেশ্যাম, ডেমোনস্ট্রেটর মশিউর রহমান, সিনিয়র প্লাম্বার মোহাম্মদ আসাবুল হক এবং পারসোনাল অফিসার খালেদা জেসমিন।
