রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং মঙ্গল করার: সালাউদ্দিন আলমগীর
একশ' মসজিদে আর্থিক সহায়তা
বাসাইল কলেজ মাঠের অনুষ্ঠানে লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয়রা। ছবি-সমকাল
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ | ২০:০০ | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ | ২০:৩৯
লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর বলেছেন, 'যে রাজনীতি মানুষকে ধোঁকা দেয়, টাকা ইনকাম করা শেখায়, পদপদবীর জন্য মানুষকে মানুষ মনে করে না সেই রাজনীতি আমি চাই না। ওই রাজনীতি আমাকে টানে না। রাজনীতি হবে কল্যাণের। রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এবং মঙ্গল করার। কিন্ত তা না হয়ে রাজনীতি হয় যন্ত্রণার।'
বুধবার বিকেলে বাসাইল কলেজ মাঠে উপজেলার একশ' মসজিদে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন আলমগীর বলেন, 'তরুণ সমাজকে সঠিক দিক নির্দেশনা না দেওয়ার কারণে তারা আলোর পথ দেখে না। তারা সঠিক কর্মপরিবেশ পায় না। সঠিক ট্রেনিং ও মোটিভেশন দিয়ে তরুণ সমাজের কাছ থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে একটি ভালো কর্মপরিবেশ পাওয়া যেতে পারে।'
তিনি আরও বলেন, 'সিনিয়র রাজনীতিবিদরা জুনিয়রদের রাজনীতিতে জায়গা দেন না। তারা যদি জায়গা ছেড়ে না দেন, তাহলে জুনিয়ররা যাবে কোথায়? পদ দখল করার মানসিকতা থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে।'
বাসাইল সখিপুরের মানুষকে ভালোবাসি উল্লেখ করে লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, 'তাদের কল্যাণে করার চেষ্টা করব। সবসময় পাশে থাকবো। যদি নির্বাচন করে হেরে যাই তাও আপনাদের পাশে থাকবো। ভোট দেবেন না বলে আপনাদের পাশে থাকবো না- তা হলে তো হবে না। আপনাদের দায়িত্ব কখনও অবহেলা করবো না।'
'অনেকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন' মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, 'আমি ভয় পাওয়ার লোক না। ভয় কাকে বলে আমার ডিকশনারিতে নেই। আমি সাধারণ মানুষ নিয়ে কাজ করি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে আছি।'

বাসাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাসাইল উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কাজি শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সৈয়দ মিজানুল ইসলাম রূপণ এবং কাশিল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাসাইল পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, বাসাইল উপজেলা বিএনপির সদস্য মঞ্জুর কাদের, প্রচার সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কাশিল ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আয়নাল জমাদার প্রমুখ।
এর আগে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মানুষ সভাস্থলে আসতে থাকেন। দুপুরের মধ্যে পুরো কলেজ মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।
