ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আগামী নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ আর ইসলামের লেবাসধারীদেরকে জনগণ বয়কট করবে: মুফতি রেজাউল করিম

আগামী নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ আর ইসলামের লেবাসধারীদেরকে জনগণ বয়কট করবে: মুফতি রেজাউল করিম
×

সোনাইমুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন। জনসভা মঞ্চে নোয়াখালী-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থী জহিরুল ইসলামের হাতে প্রতীক তুলে দেন দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। ছবি: সমকাল

চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪:২৯ | আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪:৩২

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন দেশ এবং জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, এবারের নির্বাচনে দেশের জনগণ দুর্নীতিবাজ এবং ইসলামের লেবাসধারীদেরকে বয়কট করবে। তিনি বলেন, কিছু সোনা যেমন দেখতে আসল মনে হলেও ভেতরে ইমিটেশন থাকে, তেমনি কিছু লোক ইসলামের লেবাস পরে ভিন্ন অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নোয়াখালী-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থী জহিরুল ইসলামের সমর্থনে সোনাইমুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইসলামের নাম ব্যবহার করে আমেরিকা ও ভারতের মতো দেশগুলোর আদর্শ এবং বিদেশি সংস্কৃতি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তারা আসলে ক্ষমতার লোভে মত্ত হয়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রচলিত নিয়মে দেশ পরিচালনার ফলে সাধারণ মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ৫৪ বছর ধরে মানুষ যে নীতি–আদর্শে চলছিল, সেই নীতি–আদর্শের কারণে এ দেশের মানুষ যা চেয়েছিল, তা পায়নি। ৫ বারের মতো দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। বিশ্বের কাছে দুর্নীতি করে অপমানিত করেছে। হাজার হাজার মায়ের কোল খালি হয়েছে। এদের পরিচালনায় দেশের টাকা পাচার হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে ইসলামের পক্ষে আওয়াজ উঠেছে। একটি দল ইসলামের পরিবর্তে ক্ষমতালোভী হয়ে গেছে। 

বক্তব্যে চরমোনাই পীর নোয়াখালী-১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ জহিরুল ইসলাম সিআইপির হাতে হাত পাখা প্রতীক তুলে দিয়ে বলেন, জহির আপনাদের সন্তানের মতো, তার সম্মান রক্ষা করা আপনাদের দায়িত্ব। সে আমার ভাই, আপনাদের কাছে আমার আমানত রেখে গেলাম। এই অভিভাবকসুলভ ঘোষণা মুহূর্তেই বিশাল জনসমাগমে ব্যাপক আবেগ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

জহিরুল ইসলাম তার বক্তব্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ‘জনকল্যাণমূলক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নোয়াখালীকে একটি উন্নত ও আধুনিক জেলায় পরিণত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আশার সঞ্চার করে।

এ সময় আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের কাছে ফুল দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ১০০ নেতাকর্মী ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেন।
 

আরও পড়ুন

×