ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে মা-মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
×

প্রতীকী ছবি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ও আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ২২:৩২

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় এক নারী ও তাঁর দেড় বছরের মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক এলাকায় সরকারি আশ্রয় প্রকল্পের একটি বসতঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃতরা হলেন– সুমি আক্তার (২৮) ও তাঁর মেয়ে ওয়াসিহা আক্তার। সুমির স্বামীর নাম মোহাম্মদ মিজান। তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। তাদের গ্রামের বাড়ি কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকায়। স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। 
সুমির বড় বোন বেবি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাকে নির্যাতন করছিল মিজান।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইদ্রিস জানান, মিজান প্রথমে তাঁকে ফোন করে জানান, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেন।

আনোয়ারা থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর ইউসুফ খান (৩২) নামে এক মাটি ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাগরাই গ্রামে আলমাসের ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। ইউসুফ আজগানা ইউনিয়নের ঘাগরাই গ্রামের দুলাল খানের ছেলে এবং তিনি আজগানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। 

ইউসুফ খানের ভাতিজা নীরব খান বলেন, ‘আমার চাচা শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে মাটির সাইট দেখতে যান। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় আমার ফুফু (ইউসুফ খানের বোন) পান্না আক্তার মির্জাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।’

জানা গেছে, ইউসুফ খান নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ ঘাগরাই গ্রামের আলমগীরের ছেলে রিজন এবং একই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী হানিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার মাটির ট্রাকের ধাক্কায় হানিফের একটি গাছ ভেঙে যায়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে ইউসুফের বাগ্বিতণ্ডা হয়। মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ইউসুফকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন

×