এনজিও’র ২৫ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধ করতে না পারা গৃহবধূর জামিন
প্রতীকী ছবি
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬ | ২০:২৯ | আপডেট: ০১ মে ২০২৬ | ২১:৫৪
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ঋণের ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় গ্রেপ্তার হওয়া গৃহবধূকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আদালতের বিচারক ওবায়দুল হক রুমি তার জামিনের আদেশ দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার এনজিও’র করা মামলায় গ্রেপ্তার হন মোছা. জান্নাতি খাতুন (২৫) নামে ওই গৃহবধূ। সেদিন বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর পাটগাড়ী পাড়ার নিজ বাড়ি থেকে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেন তাড়াশ থানা পুলিশ।
সিরাজগঞ্জ সদর কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এনআই অ্যাক্টের মামলায় জান্নাতি নামের গৃহবধূকে তাড়াশ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে সকালে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
জানা গেছে, উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর পাটগাড়ী পাড়ার আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বছর খানেক আগে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) নামের এনজিওতে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের ফিল্ড সুপারভাইজার পদে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার কাছিকাটা শাখায় কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি চাকরির শর্ত মোতাবেক ২৪ হাজার ৮০০ টাকা জামানত জমা রাখেন। পাশাপাশি আব্দুর রাজ্জাক ওই শাখা থেকে তার স্ত্রী জান্নাতি খাতুনের নামে ৫০ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণও গ্রহণ করেন। এরপর আব্দুর রাজ্জাক ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) নামের এনজিও’র চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।
আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, ওই এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণের প্রায় ২৫ হাজার টাকা কয়েক কিস্তিতে পরিশোধ করেছি। পাশাপাশি চাকরিকালীন সময়ে আমার জামানত রাখা ২৪ হাজার ৮০০ টাকা স্ত্রীর ঋণের সাথে সমন্বয় করতে শাখা ব্যবস্থাপককে অনুরোধ করি। কিন্তু এনজিও কর্তৃপক্ষ জামানত রাখা ২৪ হাজার ৮০০ টাকা আমার স্ত্রীর ঋণের সাথে সমন্বয় না করে আমার স্ত্রীর নামে আদালতে মামলা করেন।
এ প্রসঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রফিক জানান, জামিন পাওয়ার পর জান্নাতি দুপুরের দিকে বাড়িতে ফিরেছেন।
