ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

‘তওবা করে জামায়াত বা এনসিপিতে যান, বিএনপিতে জায়গা নাই’

‘তওবা করে জামায়াত বা এনসিপিতে যান, বিএনপিতে জায়গা নাই’
×

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কুমারখালী উপজেলা যুবদলের জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ | ২১:৩৮

‘যেহেতু দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাই এখনও সময় আছে। তওবা করে যদি জামায়াত ঠাঁই দেয়, সেখানে যান। জাতীয় পার্টি নেই, জাতীয় পার্টিতেও যান। এনসিপি নিলে সেখানে যান। বিএনপিতে আপনাদের জায়গা নেই। বিএনপিতে কোনো দালালের জায়গা নেই। তাই দালালি বাদ দেন। খুনি হাসিনা পলাতক, তাকে নিয়ে নার্সিং করার চেষ্টা না করে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবুন।’ কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা যুবদলের জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন। তিনি আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

আজ বিকেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির নেতাকর্মীদের নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার সৃষ্টির আশঙ্কার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মিছিল হয়েছে। এর আয়োজন করেন উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি কুমারখালী হলবাজার থেকে বের করা হয়। পরে গণমোড়, থানামোড়, স্টেশনবাজার, বাসস্ট্যান্ডের গোলচত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হলবাজার এসে শেষ হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিকের সভাপতিত্বে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল হোসেন বাবু, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জাকারিয়া আনছার মিলন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন, উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের কয়েক’শ নেতাকর্মী।

মিছিল শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা যুবদলের জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক ওবাইদুল ইসলাম রিপন আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় মিছিল মিটিং করার চেষ্টা করছে। প্রতিবাদে কুমারখালীতে আমরা একটি মিছিল করেছি। এই মিছিল থেকে একটি কথায় আওয়ামী লীগ দোসরদের বলতে চাই। রাস্তায় নামলে পিঠের চামড়া থাকবে না। পিঠের চামড়াতো থাকবে না, এ দেশে আপনাদের কোনো ঠিকানা থাকবে না।’

উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জাকারিয়া আনছার মিলন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তারা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি করতে চায়। সরকারের অনুমতি নিয়েই তাদের করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারীরা প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার নিয়ে ফেসবুকে নানা কটূক্তি করছে, সাইবার বুলিং করছে। জিয়া পরিবার আবেগের জায়গা। জিয়া পরিবারে কেউ হাত দিলে, সেই হাত পুড়ে যাবে।’

আরও পড়ুন

×