ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী নদীতে নৌযানে বিস্ফোরণ

ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই নাবিকের মৃত্যু, সংকটাপন্ন আরও একজন

ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই নাবিকের মৃত্যু, সংকটাপন্ন আরও একজন
×

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৫:২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে একটি মাছ ধরার নৌযানে (ফিশিং ভেসেল) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছয় নাবিকের মধ্যে দুজন ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন। নিহত দুই নাবিক হলেন—ওই নৌযানের গ্রিজার (ইঞ্জিন বিভাগের কারিগরি কর্মী) মো. রুবেল (৩৩) ও শাহ আলম (৩৮)। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত কাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হচ্ছিল তাদের। 

নিহত শাহ আলমের বাড়ি নোয়াখালীতে। আজ সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে সেখানে দাফন করা হয়েছে। অন্য দিকে সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পটুয়াখালীর গলাচিপায় দাফন করা হয়েছে মো. রুবেলকে। 

এ ঘটনায় দগ্ধ প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিমের অবস্থাও সংকটাপন্ন। প্রায় শতভাগ দগ্ধ হওয়া তামিমকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিকসার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

জাহাজের ক্যাপ্টেন জুবায়ের মাহমুদ জানান, গতকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১টার দিকে কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা ‘এফভি দেশ’ নামের মাছ ধরার নৌযানে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে এফভি দেশ নৌযানের ক্যাডেট প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম, নাবিক মো. রুবেল, শাহ আলম এবং পাশে নোঙর করা ‘এফভি ডিসনি’র নাবিক নিজাম উদ্দিন, মো. রাসেল ও ছিদ্দিক আহমেদ দগ্ধ হন।

দগ্ধ ছয় নাবিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হলেও প্রায় শতভাগ দগ্ধ তিনজনকে পাঠানো হয় ঢাকায়। সেখানে নেওয়ার পথে মারা যান শাহ আলম ও রুবেল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অন্য তিনজন আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় আজ সকালে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ।

আরও পড়ুন

×