‘বিগত সরকারের কিছু প্রকল্প গিলতেও পারছি না, ফেলতেও পারছি না’
হাবিবুর রশিদ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৫৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, বিগত সরকার অনেক ক্ষেত্রে বেশ কিছু অপরিপক্ব প্রকল্প নিয়েছে। এগুলো আমরা গিলতেও পারছি না, ফেলতেও পারছি না। এখন আমরা যেটা করছি, আমাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছি। সে ক্ষেত্রে আমরা মূল যে সড়কগুলো, সেটির কাজ করছি। রেলের ক্ষেত্রেও আমরা মূল যে রেললাইন, ট্রেন, স্টেশনসহ যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে কাজ করছি।’
গতকাল শুক্রবার নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। আরও বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন, মহাপরিচালক খালেদ কনক, পরিচালক নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান জনগণ যেন সহজে সেবা পান। অর্থাৎ জনগণের দোরগোড়ায় যেন সেবা পৌঁছে যায়। এই সরকারের মাত্র চার মাস হয়েছে। এরই মধ্যে আপনারা দেখছেন সরকারের গতি ব্যাপক। সরকার হিংসারবশবর্তী হয়ে কোনো ধরনের কাজ করছে না। অর্থাৎ যে কাজ করলে জনগণ ভালো থাকবে, অল্প সময়ে অধিক মানুষ সুফল ভোগ করবে, সরকার সে অনুযায়ী কাজ করছে।
নেত্রকোনার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। এসব প্রকল্পের কিছু কাজ চলমান, আবার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নেত্রকোনার বেশ কিছু হাওরের তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এসব হাওরের তলদেশ খনন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ধনু নদ খনন করার দাবি উঠেছে এই বিষয়টি আমাদের মাথায় আছে। মা মাছ এবং পোনা যাতে মারা না পড়ে এসব বিষয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে।
নিজের নির্বাচনী এলাকায় হাওরাঞ্চলে কৃষি কার্ড প্রণয়নে অনিয়মের বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়েছেন সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি বলেন, যখন তালিকা করা হয়, তখন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষকের নাম বাদ পড়েছে। আবার একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামেও কার্ড হয়েছে। এই বিষয়গুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
- বিষয় :
- প্রকল্প
