প্রতিমন্ত্রীর চিঠিতে সিএমপির সদরঘাট থানার ওসি প্রত্যাহার
ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬ | ০৫:৫৮
যোগদানের ১৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার হয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ। তাকে সিএমপির দামপাড়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত রোববার সন্ধ্যায় এ আদেশ দেন সিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শরীফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ৫ জুলাইয়ের ওই চিঠিতে সূত্র হিসেবে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পাঠানো পত্রের স্মারক উল্লেখ করা হয়।
নগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করে ওসি মুহাম্মদ শরীফের বিরুদ্ধে গত ১ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আধা সরকারিপত্র দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এরপর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার উপসচিব নাসরীন সুলতানার সই করা একটি চিঠি পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো হয় গত ৫ জুলাই।
সিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাই বাছাই করে দেখা হবে। একজন উপকমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ জুন সিএমপির এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডিং শাখার পরিদর্শক শরীফকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের ১৭ দিনের মাথায় তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি সিটিএসবির নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক পদ থেকে সিএমপির এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডিং শাখার পরিদর্শক হিসেবে বদলি হন। পরে সেখান থেকেই তাকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর তিনি কর্ণফুলী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ শরীফ বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। একজন স্যার আমাকে ভুল বুঝে আমার বিরুদ্ধে লেগেছেন। আমি স্যারকে বারবার বুঝিয়েছি। কিন্তু তারপরও আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় উনি নানা অভিযোগ করে আমার ক্ষতি করছেন। আমি কোনও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।
- বিষয় :
- সিএমপি
- ওসি প্রত্যাহার