ঢাকা রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রেপ্তারের পর ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামির মৃত্যু, হৃদরোগ দাবি পুলিশের

গ্রেপ্তারের পর ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামির মৃত্যু, হৃদরোগ দাবি পুলিশের
×

মিজানুর রহমান (৫৫)

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬ | ২২:০৪

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিহত মিজানুর রহমান ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৈড়াতলী গ্রামের বাবুর বাড়ির বাসিন্দা।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শিশু ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার পথে তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গত কয়েকদিন আগে কৈড়াতলী গ্রামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা হয়। সেই মামলার সূত্রেই সকালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, মিজানুর রহমানকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী ফাঁসানো হয়েছে।

নিহতের স্বজন মামুন পাটোয়ারী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় কয়েকদিন কৈড়াতলী গ্রামের মোশফিকুর রহমান ঈমু, আসিফ ভূঁইয়া ও কালু মিয়া পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল মিজানের কাছে। টাকা না দেওয়ায় তাদের যোগসাজশেই কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়া পুলিশ দিয়ে তাকে আটক করানো হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্যায্য অপবাদ সহ্য করতে না পেরে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

আরও পড়ুন

×