ঢাকা রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

শাহজালাল (রহ.) মাজার

৩৪ দিনে দানবাক্সে ৭০ লাখ টাকা, সঙ্গে ১৯ দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণ

৩৪ দিনে দানবাক্সে ৭০ লাখ টাকা, সঙ্গে ১৯ দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণ
×

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:৫২

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগে ৩৪ দিনে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং বেশ কিছু চিঠি পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় তৃতীয় দফায় গণনা শেষে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খোলার পর টাকা গণনা শুরু হয়। স্বেচ্ছাসেবকসহ সংশ্লিষ্টরা দিনভর টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী গণনা করেন।

গণনা শেষে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও মাজার কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে হিসাব প্রকাশ করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মাজারের প্রচলিত নিয়ম ভেঙে তৎকালীন জেলা প্রশাসক দানবাক্স ও ঐতিহাসিক ডেগ সিলগালা করেন। পরে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সেগুলো গণনার জন্য নেওয়া হয়। গত ২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স খুলে ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এরপর ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। শনিবার তৃতীয় দফায় গণনা শেষে ৩৪ দিনে মোট ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়ার তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৩১ পাউন্ড, ভারতের ৩ হাজার ২৪৮ রুপি, পাকিস্তানের ৬০ রুপি, সৌদি আরবের ৭০ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ৮৩ রিঙ্গিত, যুক্তরাষ্ট্রের ৪ ডলার, নেপালের ১০০ রুপি, ওমানের ১ রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৬৪ দিরহাম ২২ সেন্ট, ইরাকের ২৫০ দিনার, তুরস্কের ৯০ লিরা, ভিয়েতনামের ১ হাজার ডং, জাপানের ১ হাজার ইয়েন, কাতারের ১১২ রিয়াল ৫০ পয়সা, লেবাননের ১০ পাউন্ড, মিশরের ১০ পাউন্ড, ইউরোর ৪০ সেন্ট, বাহরাইনের ১ পয়সা এবং কানাডার ১ ডলার পাওয়া গেছে।

দানবাক্সে স্বর্ণ ও রৌপ্যও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২ ভরি ১ রতি স্বর্ণ এবং ১ ভরি ২ আনা রৌপ্য রয়েছে।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, একই সময়ে ভক্তরা নজরানা হিসেবে কয়েকটি গরু-ছাগল এবং হাঁস-মুরগিও দান করেছেন। এসবের হিসাব আলাদাভাবে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×