চাঁদা না পেয়ে অর্ধকোটি টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ
ম্যাপ
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৩:১২
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম ইউনিয়নে চাঁদা না পেয়ে অর্ধকোটি টাকার বাগান নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার নানুপুর ঢালকাটায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বাগান মালিক মো. হাসান আলী। এ সময় স্থানীয় আবুল বশর, ফজলুল হকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাসান আলী বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। দীর্ঘ দুই মাস ধরে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানামুখী অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে। আমার বাবা ওমদা মিয়ার রোপণ করা বাগান থেকে গাছ কাটতে গেলে মো. করিম ও মো. মহসিন নামের দুজন পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে জোর করে বাগানের গাছ কেটে নিয়ে যায় তারা।’
তিনি আরও জানান, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি থানা, খিরাম আর্মি ক্যাম্পসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে। ফটিকছড়ি থানায় সমঝোতা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এরই মধ্যে তাঁর স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া স্ট্যাম্প তৈরি করে সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন স্থানে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পেরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং স্বাক্ষর যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
হাসান আলী আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অভিযুক্ত চক্রটি ‘মব’ সৃষ্টি করে খিরামসহ আশপাশের এলাকার বহু মানুষের বাগানের গাছ কেটে নিয়েছে। তাদের ভয়ে স্থানীয় অনেকে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মো. করিম ও মো. মহসিন। তাঁদের দাবি, ‘হাসান আলীর সংবাদ সম্মেলনে করা অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা তাঁর বাগানের গাছ কাটার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। যতদূর জানি, আমান উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি তাঁর কাছ থেকে বাগানের গাছ কিনেছিলেন।’
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- চাঁদা দাবি