ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

১৫০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এক কিলোমিটারজুড়ে মাদক-ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংবিরোধী র‍্যালি

১৫০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এক কিলোমিটারজুড়ে মাদক-ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংবিরোধী র‍্যালি
×

ছবি-সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:৩১

মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে চট্টগ্রামের হালিশহরে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ র‍্যালি করেছে গরীবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয়। এতে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হালিশহরের আই ব্লকের স্কুল ক্যাম্পাস থেকে র‍্যালিটি বের হয়। শিক্ষার্থীরা মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংবিরোধী বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশ নেয়।

র‍্যালিটি ‘হল সেভেন’ মোড় হয়ে বিডিআর মাঠ, কেন্দ্রীয় মসজিদ গেট, সেনানিবাসের সম্মুখভাগ ও রাবেয়া বসরী স্কুলের রাস্তা দিয়ে জি-ব্লক হয়ে পুনরায় স্কুল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি যাওয়ার সময় পথচারী ও এলাকাবাসী হাততালি দিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

র‍্যালির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. নাজিম উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের আমরা শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার যন্ত্র বানাতে চাই না। তাদের মানবিক ও সুস্থ নাগরিক হতে হবে। হালিশহরের মাটিতে কোনো মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং বা ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকারী বখাটেদের অপসংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ইভটিজিংমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা বখাটে ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

র‍্যালিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতি ৩০ ফুট পরপর লাইনের মাঝখানে একজন শিক্ষকের সঙ্গে স্কুল স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের চারজন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। মো. কামাল উদ্দিন, শরাফত আলী ও অভিভাবক-শিক্ষক প্রতিনিধি কিবরিয়া র‍্যালির নেতৃত্ব দেন।

তন্বী দাশ, মো. রফিকুল ইসলাম, নূর নাহার বেগম, মো. হোসেন ও মো. আজিজুল হকের তদারকিতে র‍্যালিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কোনো ধরনের ট্রাফিক জ্যাম বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি বলে আয়োজকরা জানান।

র‍্যালি চলাকালে মাদক, কিশোর অপরাধ ও ইভটিজিংয়ের কুফল তুলে ধরে মাইকে সচেতনতামূলক ঘোষণা ও স্লোগান দেন প্রশান্ত পাল ও সরোয়ার আজাদ। আয়োজন সফল করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন মো. মিজানুর রহমান, মো. নিজাম উদ্দিন সুমন, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মীর মোহাম্মদ উযাইর, সাদ্দাম হোসেন বাবু ও কামরুলসহ স্কুলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।চাইলে এটাকে আরও সমকালের ছাপা কাগজের নিউজের মতো সংক্ষিপ্ত ও টাইট করে দিতে পারি।

আরও পড়ুন

×