‘এম-রাইজ হিরো’ সম্মাননা পেলেন ৬ জন
এম-রাইজ সম্মাননা অনুষ্ঠানে চিত্রনায়ক শাকিব খানসহ অন্যান্যরা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬ | ১৯:৩৬ | আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ | ১৯:৫১
সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাওয়া ছয়জনকে ‘এম-রাইজ হিরো’ সম্মাননা দিয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘এম-রাইজ গালা নাইট’ এ বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন চিত্রনায়ক শাকিব খান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রুপ হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল শেখ শাবাব আহমেদসহ গণমাধ্যমকর্মী ও শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— চট্টগ্রামের প্রযুক্তি উদ্ভাবক জয় বড়ুয়া লাবলু, যিনি স্বল্প খরচে বায়োনিক হাত তৈরি করে মানুষের জীবন সহজ করতে কাজ করছেন। রয়েছেন কক্সবাজারের মো. রোস্তম আলী, তিনি মা-বাবা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অবহেলিত বৃদ্ধ ও এতিম শিশুদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকার প্রাণিসেবক মো. আবদুল কাইয়ুম, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পথপ্রাণী উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও চট্টগ্রামের মো. রিজওয়ান ‘এক টাকায় শিক্ষা’ উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাসহায়তা করছেন। কক্সবাজারের মরিয়ম সমুদ্রশৈবাল চাষের মাধ্যমে উপকূলীয় নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছেন। অন্যদিকে প্রসেনজিৎ কুমার সাহা ‘উচ্ছ্বাস’ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছেন।
জয় বড়ুয়া লাবলু বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করার জন্য হওয়া উচিত। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর অনুপ্রেরণাই তাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়। মো. রোস্তম আলী বলেন, সমাজের অবহেলিত মানুষদের জন্য কাজ করতে পেরে গর্বিত এবং এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিক কাজের অনুপ্রেরণা তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানে শাকিব খান বলেন, ‘সত্যিকারের হিরোদের হাতে সম্মাননা তুলে দিতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত। যারা সমাজের ভেতরে থেকে নীরবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের এই উদ্যোগে স্বীকৃতি পাওয়া শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, পুরো সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা। এম-রাইজের মতো প্ল্যাটফর্ম এমন মানুষদের সামনে আনে যারা আলোচনার বাইরে থেকেও বাস্তব পরিবর্তন তৈরি করছেন। আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে আরও মানবিক কাজ ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।’
আবুল খায়ের গ্রুপের হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল শেখ শাবাব বলেন, ‘আবুল খায়ের গ্রুপের যাত্রাটাই এক ধরনের অনুপ্রেরণার গল্প। একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে আজ প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। শুধু ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, শুরু থেকেই আবুল খায়ের গ্রুপ সমাজ ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করে আসছে। সেই ভাবনা থেকেই “এম-রাইজ” উদ্যোগের যাত্রা।’
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এম-রাইজ” শুধু একটি সম্মাননা অনুষ্ঠান নয়, বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা মানুষদের গল্প সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
