ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২২৫ শিক্ষার্থীর টিউশন ফি আটকা, দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আইনজীবী

২২৫ শিক্ষার্থীর টিউশন ফি আটকা, দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আইনজীবী
×

দক্ষিণ কোরিয়ার সিংইয়ংজু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। ছবি: সংগৃহীত

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৫৯ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৩৮

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টিউশন ফি জমা দিয়ে বিপাকে পড়েছেন ১৯৪ বাংলাদেশিসহ ২২৫ শিক্ষার্থী। তাদের প্রায় ১৬ কোটি টাকা উদ্ধারে আগামী রোববার একজন আইনজীবী সিউলে যাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ এবং ইউ কেয়ার এডুকেশন কনসালটেন্সি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সিউলে যাবেন। ভুক্তভোগী বাকি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৮ জন নেপাল ও তিনজন পাকিস্তানের নাগরিক। তারা দক্ষিণ কোরিয়ার সিংইয়ংজু বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রায় ১৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা টিউশন ফি জমা দিয়েছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো জমা না দেওয়ায় ভিসা প্রত্যাখ্যান হয়। অফার লেটারে ভিসা না হলে ৯০ দিনের মধ্যে টিউশন ফি ফেরতের কথা থাকলেও তা দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হওয়ার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করায় অর্থ ফেরত পাওয়া আরও অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

সাইফুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ইউ কেয়ার এডুকেশন কনসালটেন্সির আইনি পরামর্শক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেন সাইফুল ইসলাম। তিনি ঢাকার সুপ্রিম ল ফার্মের হেড অব চেম্বার। ব্যারিস্টার তানিয়া হামিদ জুঁইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গত ২০ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান। এতে টিউশন ফির পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।

সাইফুল ইসলাম বলেন, অফার লেটার অনুযায়ী ভিসা না হলে ৯০ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে কোরিয়ার উপযুক্ত আদালতে শিক্ষার্থীদের পাওনার দাবি সংক্রান্ত আবেদন জমার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ঠিক সময়ে দাবি সংক্রান্ত আবেদন জমা দিতে পারলে শিক্ষার্থীরা পুরো অর্থ ফেরত পাবেন বলে আশাবাদী সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মধ্যবিত্ত পরিবারের। অনেকে সঞ্চয়, ঋণ ও জমি বন্ধক রেখে উচ্চশিক্ষার জন্য টাকা পাঠিয়েছেন। সেটি আটকে যাওয়ায় এখন চরম আর্থিক সংকটে আছেন।

উল্লেখ্য, সাইফুল ইসলাম হবিগঞ্জের মাধবপুরের বাসিন্দা।

আরও পড়ুন

×