এনু-রুপনের সব বাড়ি, ফ্ল্যাট জব্দ হচ্ছে
×
সাহাদাত হোসেন পরশ
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৩:২৪
শেষ পর্যন্ত কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি ও ফ্ল্যাট হাতছাড়া হচ্ছে গেন্ডারিয়ার দুই সহোদর এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার। শিগগিরই এসব সম্পদ জব্দ করার প্রক্রিয়া শুরু করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে এনু-রুপনের সম্পদ জব্দ হবে। এখন পর্যন্ত দুই ভাইয়ের ২২টি বাড়ি, ১২২টি ফ্ল্যাট, আটটি প্লট ও একাধিক গাড়ির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে কক্সবাজারে মাদক কারবারিদের সম্পদ জব্দ করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সিআইডির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এসব তথ্য জানায়।
সিআইডির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এনু-রুপনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে নতুন আরেকটি মামলা করবে সিআইডি। এ মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা ওই মামলায় তাদের সম্পদ জব্দ করার আবেদন করা হবে।
সিআইডির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এনু-রুপনের দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে তাদের অর্থ-সম্পদের হিসাবের কোনো সামঞ্জস্য নেই। মূলত তারা অবৈধভাবে এই সম্পদ অর্জন করেছে। তাই এসব সম্পদ দুই ভাই ট্যাক্স ফাইলে দেখাতে পারেনি। এ কারণে তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে।
সংশ্নিষ্ট সূত্র বলছে, এনু-রুপনের আরও 'টাকার গুদাম' রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি মাটির নিচেও কোনো জায়গায় তারা টাকা লুকিয়ে রাখতে পারে। সর্বশেষ কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা ছিল তাদের। তাই গচ্ছিত অর্থের একটি অংশ নির্বাচনে খরচ করার পরিকল্পনা ছিল দুই সহোদরের। এ সম্পর্কে আরও জানতে সন্দেহভাজন কয়েকজনের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
গত বুধবার এনু-রুপনের বাড়ির ভল্টে পাওয়া যায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকা, এক কেজি স্বর্ণ, বিদেশি মুদ্রা ও পাঁচ কোটি টাকার এফডিআর। এত টাকা গুনতে বিলম্ব হওয়ায় উদ্ধারের এক দিন পর মামলা করতে হয়েছে।
ওয়ারি থানার ওসি আজিজুল হক বলেন, টাকা আসল না নকল তা চেক করতে করতে অনেক দেরি হয়। সব টাকা পরীক্ষা করা হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এর আগে এনু-রুপনের বাড়ি থেকে পাঁচ কোটি টাকা উদ্ধার করা হলে তার প্রতিটির নম্বর মিলিয়ে দেখতে এক মাস ১৩ দিন লেগেছিল সিআইডির। টাকার নম্বর মিলিয়ে হিসাব না রাখলে তা যে কোনো পর্যায়ে কেউ পাল্টে দিতে পারে বলে আশঙ্কা থাকে। তাই জব্দ টাকার বান্ডিল ধরে নয়, প্রতিটির আলাদা আলাদা হিসাব রাখা জরুরি। মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত সংস্থা হিসেবে জব্দ টাকা সিআইডির কাছে যাবে। তখন তারা আবার এই টাকা গুনে দেখবে। এবার সাড়ে ২৬ কোটি টাকার নম্বর গুনতে কত দিন লাগবে, সেটা নিয়ে চিন্তিত সিআইডির সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।
এবার এনু-রুপনের বাসার পাঁচটি সিন্দুকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা এবং পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর, ৯ হাজার ৩০০ ডলার, ১৫৪ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, ৫ হাজার ৩৫০ ভারতীয় রুপি, ১ হাজার ১৯৫ চায়নিজ ইয়েন, ১১ হাজার ৫৬০ থাই বাথ এবং আমিরাতের ১০০ দিরহাম পাওয়া গেছে।
এর আগে একাধিক দফায় এনু-রুপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। এত স্বর্ণালঙ্কার বাসায় রাখার ব্যাপারে তাদের যুক্তি ছিল স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য স্বর্ণালঙ্কার কিনে রেখেছিলেন তারা।
দুই ভাইয়ের যেসব বাড়ির খোঁজ মিলেছে তার মধ্যে রয়েছে ৪০ গুরুদাস সর্দার লেনের নির্মাণাধীন ২০ তলাবিশিষ্ট বাড়ি, ১ নং নারিন্দার চারতলা বাড়ি, ১৫ নারিন্দা লেনের ৬ তলা বাড়ি, মনির হোসেন লেনের ৬৪ নম্বর বাড়ি, গুরুদাস সর্দার লেনের ৬/২ নম্বর বাড়ি, শরৎগুপ্ত রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ি, শাহ সাহেব লেনের ৬৯, ৭১ ও ৭৩ নম্বর বাড়ি, ডিস্টিলারি রোডের ১২৪/৫, ৩৯ নম্বর বাড়ি, লাল মোহন সাহা স্ট্রিটের ১১৯/১, ১২১ ও ১০৬ নম্বর বাড়ি, ভজহরি সাহা স্ট্রিটের ৪৪/বি নম্বর বাড়ি, দক্ষিণ মৈশুন্ডির ৭১/১, কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় দুটি, সিরাজদীখান ও রাজেন্দ্রপুরে চারটি বাংলো বাড়ি। একসঙ্গে দুই ভাইয়ের এসব সম্পদ জব্দ হলে তা দেশের ইতিহাসে হবে আরেকটি বড় ঘটনা।
সিআইডির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এনু-রুপনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে নতুন আরেকটি মামলা করবে সিআইডি। এ মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা ওই মামলায় তাদের সম্পদ জব্দ করার আবেদন করা হবে।
সিআইডির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এনু-রুপনের দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে তাদের অর্থ-সম্পদের হিসাবের কোনো সামঞ্জস্য নেই। মূলত তারা অবৈধভাবে এই সম্পদ অর্জন করেছে। তাই এসব সম্পদ দুই ভাই ট্যাক্স ফাইলে দেখাতে পারেনি। এ কারণে তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে।
সংশ্নিষ্ট সূত্র বলছে, এনু-রুপনের আরও 'টাকার গুদাম' রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি মাটির নিচেও কোনো জায়গায় তারা টাকা লুকিয়ে রাখতে পারে। সর্বশেষ কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা ছিল তাদের। তাই গচ্ছিত অর্থের একটি অংশ নির্বাচনে খরচ করার পরিকল্পনা ছিল দুই সহোদরের। এ সম্পর্কে আরও জানতে সন্দেহভাজন কয়েকজনের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
গত বুধবার এনু-রুপনের বাড়ির ভল্টে পাওয়া যায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকা, এক কেজি স্বর্ণ, বিদেশি মুদ্রা ও পাঁচ কোটি টাকার এফডিআর। এত টাকা গুনতে বিলম্ব হওয়ায় উদ্ধারের এক দিন পর মামলা করতে হয়েছে।
ওয়ারি থানার ওসি আজিজুল হক বলেন, টাকা আসল না নকল তা চেক করতে করতে অনেক দেরি হয়। সব টাকা পরীক্ষা করা হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এর আগে এনু-রুপনের বাড়ি থেকে পাঁচ কোটি টাকা উদ্ধার করা হলে তার প্রতিটির নম্বর মিলিয়ে দেখতে এক মাস ১৩ দিন লেগেছিল সিআইডির। টাকার নম্বর মিলিয়ে হিসাব না রাখলে তা যে কোনো পর্যায়ে কেউ পাল্টে দিতে পারে বলে আশঙ্কা থাকে। তাই জব্দ টাকার বান্ডিল ধরে নয়, প্রতিটির আলাদা আলাদা হিসাব রাখা জরুরি। মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত সংস্থা হিসেবে জব্দ টাকা সিআইডির কাছে যাবে। তখন তারা আবার এই টাকা গুনে দেখবে। এবার সাড়ে ২৬ কোটি টাকার নম্বর গুনতে কত দিন লাগবে, সেটা নিয়ে চিন্তিত সিআইডির সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।
এবার এনু-রুপনের বাসার পাঁচটি সিন্দুকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা এবং পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর, ৯ হাজার ৩০০ ডলার, ১৫৪ মালয়েশীয় রিঙ্গিত, ৫ হাজার ৩৫০ ভারতীয় রুপি, ১ হাজার ১৯৫ চায়নিজ ইয়েন, ১১ হাজার ৫৬০ থাই বাথ এবং আমিরাতের ১০০ দিরহাম পাওয়া গেছে।
এর আগে একাধিক দফায় এনু-রুপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। এত স্বর্ণালঙ্কার বাসায় রাখার ব্যাপারে তাদের যুক্তি ছিল স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য স্বর্ণালঙ্কার কিনে রেখেছিলেন তারা।
দুই ভাইয়ের যেসব বাড়ির খোঁজ মিলেছে তার মধ্যে রয়েছে ৪০ গুরুদাস সর্দার লেনের নির্মাণাধীন ২০ তলাবিশিষ্ট বাড়ি, ১ নং নারিন্দার চারতলা বাড়ি, ১৫ নারিন্দা লেনের ৬ তলা বাড়ি, মনির হোসেন লেনের ৬৪ নম্বর বাড়ি, গুরুদাস সর্দার লেনের ৬/২ নম্বর বাড়ি, শরৎগুপ্ত রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ি, শাহ সাহেব লেনের ৬৯, ৭১ ও ৭৩ নম্বর বাড়ি, ডিস্টিলারি রোডের ১২৪/৫, ৩৯ নম্বর বাড়ি, লাল মোহন সাহা স্ট্রিটের ১১৯/১, ১২১ ও ১০৬ নম্বর বাড়ি, ভজহরি সাহা স্ট্রিটের ৪৪/বি নম্বর বাড়ি, দক্ষিণ মৈশুন্ডির ৭১/১, কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় দুটি, সিরাজদীখান ও রাজেন্দ্রপুরে চারটি বাংলো বাড়ি। একসঙ্গে দুই ভাইয়ের এসব সম্পদ জব্দ হলে তা দেশের ইতিহাসে হবে আরেকটি বড় ঘটনা।
- বিষয় :
- এনু-রুপন
