মাহবুব আলী খান স্মরণে দোয়া কবরে শ্রদ্ধা
সাবেক নৌবাহিনীপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর জিয়ারত করেন প্রয়াতের মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে ফোকাস বাংলা
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:২৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
সাবেক মন্ত্রী ও নৌবাহিনীপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পবিত্র কোরআন খতম ও মোনাজাত করা হয়েছে। এ ছাড়া নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং বাদ জোহর নৌবাহিনীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
মাহবুব আলী খানের দোয়া মাহফিলে অংশ নেন তাঁর জামাতা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাতে ধানমন্ডির মাহবুব ভবনে এ আয়োজন করা হয়। পরে কয়েকজন ইসলামী চিন্তাবিদ মাহবুব আলী খানের কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন। দোয়া মাহফিলে মাহবুব আলী খানের সহধর্মিণী সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু, তাঁর দুই মেয়ে শাহিনা খান জামান, ডা. জোবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমানসহ নিকটাত্মীয়রা অংশ নেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, মাহবুব আলী খানের বড় জামাতা সৈয়দ শফিউজ্জামানসহ আত্মীয়স্বজন ছিলেন অনুষ্ঠানে।
এ ছাড়া দোয়া মাহফিলে অংশ নেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, চিফ হুইপ নূরুল ইসলামসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য, সংসদ সদস্য, সামরিক বাহিনী ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠরের নেতারা।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান তাঁর বাবার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় জোবাইদা রহমানের বোন শাহিনা খান জামান এবং তাঁর মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বনানী সামরিক কবরস্থানে মাহবুব আলী খানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। পরে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে পবিত্র কোরআন খতম, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত হয়।
এ ছাড়া মাহবুব আলীর জন্মভূমি সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণের (রহ.) দরগাহ মসজিদ, ধানমন্ডিতে তাঁর বাসভবন এবং বগুড়া, জামালপুর ও শরীয়তপুরে তাঁকে স্মরণ ও রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডা, মালয়েশিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপের বিভিন্ন মসজিদ, ইসলামিক সেন্টারে বিশেষ দোয়া এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
- বিষয় :
- স্মরণ