ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যৌন হয়রানি প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়নের দাবি

যৌন হয়রানি প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়নের দাবি
×

ছবি- সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ২১:০১

যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন প্রতিরোধে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এ দাবি জানানো হলেও আইনটি এখনো প্রণীত না হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও জনপরিসরে নারীরা নানা ধরনের হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ‘উত্ত্যক্তকরণ, যৌন নিপীড়নকে না বলুন, ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ আইন’ দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন সমাজের অপরাধপ্রবণতার লক্ষণ। এসবের বিরুদ্ধে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জনগণের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে। দ্রুত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি খসড়া তৈরিতে সহযোগিতাকারী অংশীজনদের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ আইন নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম বলেন, ২০০৯ সালে হাইকোর্টের নির্দেশনার পর থেকেই যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে অভিযোগ কমিটি গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে মহিলা পরিষদ। ২০২৪ সালে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে খসড়া আইন চূড়ান্ত করা হয়। ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন পেলেও তা এখনো আইন হিসেবে প্রণীত হয়নি।

বক্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে অভিযোগ কমিটি গঠন এবং তা কার্যকর করার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কমিটির বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল ও তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যমান আইনে যৌন হয়রানির সংজ্ঞা ও সংশ্লিষ্ট দণ্ডবিধির ধারা হালনাগাদ, অভিযোগ কমিটি ও মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর, পাঠ্যসূচিতে প্রতিরোধমূলক বিষয় অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন

×