ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

'আসক কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত'

'আসক কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত'
×

শুক্রবার রাজধানীর লালমাটিয়ায় আসক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা -সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:৫৮

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন ও সালিশ কেন্দ্রকে (আসক) জরিমানা ও কার্যালয় ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশকে নিয়মবহির্ভূত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্নিষ্টরা। একই সঙ্গে এমন পরিস্থিতিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার রাজধানীর লালমাটিয়ায় আসক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত আসককে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং দুই মাসের মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলেন, বৃহস্পতিবার আসক কার্যালয় ভবন মালিকের রাজউকের নকশাবহির্ভূত গ্যারেজের অংশে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার আসক কার্যালয়ে এসে আবাসিক এলাকায় অফিস পরিচালনার কারণ জানতে চান। আসকের পক্ষ থেকে সব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয় এবং জানানো হয়, ভাড়াটিয়া হিসেবে সব শর্ত মেনেই আসক অফিস পরিচালনা করছে।

সবকিছু জানানোর পরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২-এর ৩(ক) ধারা মতে আসককে আগামী দুই মাসের মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনার পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। অথচ আইনের ওই ধারাটি ভবন মালিক, নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আসক শুধু ভাড়াটে হিসেবে ভবনটি ব্যবহার করছে। কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়গুলো আমলে না নিয়ে জরিমানা আদায় করেন। এতে মনে হয়েছে, ওই অভিযান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এক প্রশ্নের জবাবে আসকের নির্বাহী কমিটির মহাসচিব তাহমিনা রহমান বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে যে অর্ডার দেওয়া হয়েছে, এটিকে আইনানুগ বলে মনে করছি না। আইন অনুযায়ী যে পদক্ষেপের রাস্তা খোলা রয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা সব পদক্ষেপ নেব।

আরও পড়ুন

×