ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

পানির অধিকার সর্বজনীন, প্রাপ্তি কোথায়?

পানির অধিকার সর্বজনীন, প্রাপ্তি কোথায়?
×

ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২০ | ০১:১৮ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

চারদিকে পানির সমারোহ থাকলেও ব্যবহারোপযোগী পানির পরিমাণ দিন দিন কমছেই। আবার বিশ্বের এমন অনেক দেশ আছে যেখানে পানির সরবরাহ একেবারেই কম। পানি ছাড়া বিশেষ করে সুপেয় পানি ছাড়া জীবন অচল। দিনের শুরুটা হয় পানি দিয়েই। পানি ছাড়া জীবন অচল। এদিকে বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বাড়ার কারণে জীবনের জন্য অপরিহার্য এই পদার্থের প্রাপ্তি নিয়ে কাড়াকাড়ি বাড়ছে আর ছড়িয়ে পড়ছে অসন্তোষ। গত শতকে বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়েছে ছয়গুণ, আর পানির চাহিদা বেড়েছে তিনগুণ। বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটি লোক নিরাপদ পানীয় জলের অভাবে আছে এবং ২৫০ কোটি লোক স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

ধারণা করা হয়, এভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ মারাত্মক পানির অভাবে ভুগবে। যতই সময় যাচ্ছে, স্বাদু পানির প্রাপ্তি ধীরে ধীরে খুব দুর্লভ হয়ে উঠছে। পানিসঙ্কটের মাত্রা যদিও অঞ্চলভেদে পৃথক, তবে দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে সমস্যাটি তীব্র ও তীব্রতর। ইউরোপীয় দেশগুলোতে সমস্যাটি এখনও ব্যবস্থাপনাযোগ্য সীমার বাইরে যায়নি বলে মনে করা হয়। ব্যাবহার্য পানির এমন অভাব ঘটাতে পারে নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যা, ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে অর্থনীতি।

সেই অমূল্য হয়ে ওঠা পানিতে আমাদের অধিকার কতটুকু কিংবা পানির অধিকারই বা কি? পানির অধিকার বলতে গুণমান সম্পন্ন পর্যাপ্ত পানির অধিকারকেই বোঝানো হয়। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা (ধারা ২৫) অনুসারে ‘নিজের এবং তার পরিবারের স্বাস্থ্য ও সুস্থতার এবং একটি মানসম্পন্ন জীবনযাত্রার অধিকার সংরক্ষণে পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ'। এ সূত্র ধরেই জাতিসংঘ ২০০৩ সালকে মিঠা পানির বছর হিসেবে ঘোষণা করে। পানির অধিকারকে প্রতিটি ব্যক্তির আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই তার অধিকার হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। জীবন এবং স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ন্যূনতম মানের পানি সরবরাহ জনগণের প্রাপ্য। জনগণ নিরাপদ পানির অধিকারের ধারক এবং রাষ্ট্র, জনগণের জন্য নিরাপদ পানি এবং সুস্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে দায়বদ্ধ। নাগরিকগণ এ ব্যাপারে তাদের অধিকার দাবি করতে পারে এবং দায়িত্ব পালনকারীদের অবশ্যই পানি এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারকে সমান ও বৈষম্য ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের সংবিধানেও জীবনের অধিকার, মৌলিক প্রয়োজনীয় খাবার বা খাদ্যের অধিকার এবং স্বাস্থ্যের অধিকারের মাঝে পানির অধিকার পরোক্ষভাবে সুরক্ষিত আছে। এর সুষ্পস্ট প্রতিফলন দেখা যায় রাবেয়া ভূঁইয়া বনাম এলজিআরডি মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য (১৯৯৯) মামলায়, যেখানে  আপিল বিভাগ বলেছেন যে, বিভিন্ন আইনের অধীনে যেমন পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭, সম্প্রদায়গুলোকে পরিষ্কার ও নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। আদালত আরও যোগ করেছেন যে, নিরাপদ  পানীয়জলের প্রাপ্তি  নিশ্চিত করার জন্য বিধিবদ্ধ কর্তব্যগুলো অমান্য করা মানে সংবিধানের ৩১, ৩২, ১৫ এবং ১৮ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত জীবন অধিকারের লঙ্ঘন করা। বাংলাদেশ পানি আইন ২০১৩, যা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষা এবং সংরক্ষণের জন্য প্রণীত হয়েছিল, এর সেকশন ৩, স্বাস্থ্যবিধি ও স্যানিটেশনের জন্য পানীয় জল ও পানির অধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অধিকার হিসাবে গণ্য করার বিধান দিয়েছে।

পূর্বেই বলা হয়েছে, পানির অধিকার বলতে নিরাপদ পানির প্রাপ্তি বোঝায়। প্রতিটি ব্যক্তিগত বা ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পানি অবশ্যই নিরাপদ হতে হবে, যা ক্ষুদ্র জীব, রাসায়নিক পদার্থ এবং তেজস্ক্রিয় বিপত্তি থেকে মুক্ত এবং কোনো ব্যক্তির স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ নয়। পানীয়জল সুরক্ষার ব্যবস্থাগুলো সাধারণত পানীয় এবং পানির গুণগত মানের জন্য জাতীয় এবং/অথবা স্থানীয় মান দ্বারা নির্ধারিত হয়। ২০১০ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৪/২৯২ নম্বর রেজল্যুশনে বলা হয়েছে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নিরাপদ স্বাস্থ্যব্যবস্থা অপরিহার্য। এতে উন্নত রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে অর্থসংস্থান, সামর্থ্য বাড়াতে সহযোগিতা ও প্রযুক্তি সরবরাহের আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সবার জন্য নিরাপদ, বিশুদ্ধ, ব্যবহারযোগ্য এবং  সুপেয় পানি ও স্বাস্থ্যব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি ব্যক্তির জন্য পানি সরবরাহ ব্যক্তিগত এবং গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত এবং অবিচ্ছিন্ন হতে হবে। এর ব্যবহারগুলোর মধ্যে সাধারণত পানীয়, ব্যক্তিগত স্যানিটেশন, কাপড় ধোওয়া, খাবার প্রস্তুত করা, ব্যক্তিগত এবং পরিবারের স্বাস্থ্যবিধি অন্তর্ভুক্ত থাকে। সরবরাহ করা পানির মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পানির সহজলভ্যতা এবং পরিষেবাগুলো অবশ্যই সবার জন্য সাশ্রয়ী হতে হবে।

এখন পানির পর্যাপ্ত সরবরাহের জন্য রাষ্ট্র পানি পাবে কোথা থেকে? আমাদের নদী, খাল-বিলগুলো এবং ভূগর্ভস্থ পানি  নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পানির উৎস। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের তথ্য অনুসারে গত ৫৭ বছরে দেশের ১৫৮টি নদী শুকিয়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে অপর্যাপ্ত প্রবাহ, অধিক পলি, খননের অভাব এবং দখলদারিত্বের কারণে দিন দিন হারিয়ে যাছে নদীগুলো। ভূ-উপরিস্থ পানিকে আমরা পরিশোধন করে ব্যবহার করছি প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজে। সেই পানির উৎস যখন দিনের পর হারিয়ে যাচ্ছে তখন নাগরিকদের পানি পাওয়ার অধিকার রাষ্ট্র কোথা থেকে পূরণ করবে?

বাংলাদেশে রয়েছে ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই ৫৭টি নদীর মধ্যে ৫৪টি প্রতিবেশী দেশ ভারতের এবং ৩টি মিয়ানমারের সাথে প্রবাহিত। গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার মতো তিনটি শক্তিশালী আন্তঃসীমান্ত নদী তৈরি করেছে বাংলাদেশ নামক ব-দ্বীপ। দেশের মোট প্লাবনভূমির প্রায় ৮০ শতাংশ এই গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশে মোট অববাহিকায় মাত্র ৭-৮%  এবং অবশিষ্ট অঞ্চল চীন, ভারত, নেপাল এবং ভুটানে অবস্থিত। উজানে অবস্থিত ভারত থেকে আসা পানিই বাঁচিয়ে রাখে বাংলাদেশে শিরা, উপশিরার মত সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা নদীগুলোকে। বলা চলে, দেশের নদীগুলোর ৯৯.৫ শতাংশ পানিই  দেশের উজানে অবস্থিত উপরের-পশ্চিমের রাজ্যগুলো থেকে।

এই নদীগুলো শুধুমাত্র পানিই নিয়ে আসেনা, সাথে নিয়ে আসে বিপুল পরিমাণে পলি ও অন্যান্য বস্তু। গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র একসাথে হিমালয় থেকে প্রায় দুই বিলিয়ন টন পলি বহন করে এবং বর্ষার সময় এর পরিমাণ হয় প্রতিদিন দুই মিলিয়ন টন । এই বিপুল পরিমাণের পলল চলার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে কিছু অংশ নদীর তলদেশে জমা হয়, যা দিন দিন নদীর গভীরতা কমাচ্ছে এবং নদীর পানিপ্রবাহ হ্রাস পাচ্ছে। ফলে বর্ষার সময় বন্যা হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে বেশিরভাগ নদী শুকিয়ে যায়। লাখ লাখ মানুষ এদেশের গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, তিস্তা, মনু, খোয়াই, ধরলা, দুধকুমার, গোমতি, মুহুরী ইত্যাদি নদীর অববাহিকায় বসবাস করছে এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্যও নির্ভর করছে এসব নদীর উপর। যে পানিতে এসব নদী প্রাণ পায় সেসব নদীর বেশ কয়েকটির উজানে ভারতীয় অংশে ব্যারাজ বা ড্যাম নির্মাণ করায় বাংলাদেশের অংশের নদীগুলো শুষ্ক মৌসুমে পানি শূন্য হয়ে পরে। বাঁধের মাধ্যমে জল প্রত্যাহার, পরিকাঠামো নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ড যেমন শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট সৃষ্টি করে তেমনি বর্ষাকালে বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মূল সংকট শুরু হয় ভারতীয় উজানে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করার কারণে। ১৯৭৫ সালে ভারত ফারাক্কা বাঁধ  চালু করলে এদেশের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ অর্ধেকে নেমে আসে। একাধিকবার আলোচনা সত্বেও ভারত একতরফাভাবে বহু আন্তঃসীমান্ত নদী যেমন, তিস্তা, গোমতি, খোয়াই, ধরলা, দুধকুমার, মনু এর উৎস্যে একাধিক বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে। মুহুরী, ছাগলনাইয়া, ফুলছুরিসহ অনেক নদী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে যা ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে। নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহে যে কোনও হস্তক্ষেপ ভাটিতে অবস্থিত জনগণের জন্য পানির অভাব সৃষ্টি করে এবং এতে অসন্তোষ ও অনাস্থার সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে এবং পানির বিতরণ, ব্যবহার এবং পরিচালনা সম্পর্কিত বিরোধ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

যা হোক, একদিকে যেমন পানির প্রবাহ কমে গিয়ে নদীগুলো মরে যাচ্ছে, তেমনি কলকারখানার অপরিশোধিত বিষাক্ত বর্জ্য নদীগুলোর পানিকে বিষাক্ত ও ব্যবহারের অনুপযোগী করে তুলছে। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী নদীর পানি এখন পরিশোধনেরও অযোগ্য। একসময় ঢাকার পানির চাহিদার অনেকটা মেটানো হত আশপাশের নদীর পানি পরিশোধন করে। এখন বুড়িগঙ্গা কিংবা শীতালক্ষ্যা নদীর পানি পরিশোধন অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন শিল্প কারখানার অপরিশোধিত  বর্জ্যে মারাত্মকভাবে দূষিত এসব নদীর পানি। ঢাকার সায়েদাবাদে অবস্থিত পানি পরিশোধনাগারটি এখন পানির উৎস্য সমস্যায় ভুগছে। এভাবে আমাদের নিত্যদিনের অধিকার পানি, দিন দিন ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। একারণে সবচেয়ে হুমকির সম্মুখিন হচ্ছে দরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। এ কারণে অমূল্য সম্পদ পানিকে ঘিরে বাড়ছে অসন্তোষ, ধারণা করা হয় ভবিষ্যতে পানির বন্টনকে কেন্দ্র করে হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।

রাষ্ট্র তার সংবিধানে জনগণের প্রাপ্ত অধিকারের তালিকায় পানিকে অন্তর্ভুক্ত করলেও তার একার পক্ষে এটা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সামগ্রিক পানি সম্পদ ব্যাবস্থাপনা, যেখানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে পানির অপচয় রোধ, দূষণ বন্ধ, নদী, খাল-বিলের প্রবাহ বন্ধ করে দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সবসময়ই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দিকে অধিক মনোযোগ দেওয়ার দাবি করে। পানি এবং স্যানিটেশনের ক্ষেত্রে যেসব লোক বঞ্চিত বা প্রান্তিককরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে বৈষম্য হ্রাস করার প্রতিশ্রুতিও দিয়ে থাকে। তাই, জাতিসংঘকে অবশ্যই পানির হিস্যা নিয়ে বিরোধে জড়ানো রাষ্ট্রসমূহকে একটা সমঝোতার পথে নিয়ে আসতে হবে। পানির প্রবাহের উৎসের দেশগুলোকে বোঝাতে হবে যে, পানিতে সকলের অধিকার আছে। পানির প্রবাহকে বাঁধাগ্রস্ত করে নিজ দেশের মধ্যে আটকে রাখলে বিশ্বব্যাপী বাস্তুসংস্থানের ক্ষতি হবে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসবে এবং এর ফল ভোগ করতে হবে সারা বিশ্বকে।

২০১৯ সালে বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের ৭৮ কোটি ৩০ লাখ মানুষ নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৯ কোটি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের সুযোগ পায় না। পানি সম্পদের দুর্বল অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, খরা, বৃষ্টিপাত এবং জলবায়ুর পরিবর্তন সমস্যাকে আরো প্রকট করে তুলছে। তাই রাষ্ট্রকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের জলসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে। জীবনের জন্য অবশ্যম্ভাবী এই উপকরণকে করতে হবে সহজলভ্য।

লেখক: অধ্যাপক, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল

আরও পড়ুন

×