ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

মিলাদুন্নবী (সা.)

বিশ্বজগতের জন্য রহমত ও মানবতার পথপ্রদর্শক

বিশ্বজগতের জন্য রহমত ও মানবতার পথপ্রদর্শক
×

মদিনায় মসজিদে নববি

এম এ করিম ইবনে মছব্বির

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৪১ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৪২

যে রাসুলের (সা.) প্রতি স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর সকল ফেরেশতাগণ দরুদ শরীফ পাঠ করেন, তিনি হযরত মুহাম্মদুর রাসুল (সা.)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল করিমে ঘোষণা করেন, আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাকূল নবীর প্রতি দরুদ পেশ করেন! হে মুমিনগণ তোমরা নবীর জন্য রহমতের দোয়া করো, এবং তাঁর প্রতি সালাম পেশ করো। (সুরা আহযাব আয়াত ৫৬) । 
আয়াতের শিক্ষা হল, রাসুল (সা.) এর প্রতি দরুদ, সালাম এবং সম্মান প্রদর্শন করা! 

২. 
হাদীছে কুদসীতে বর্ণিত হয়েছে যে, লাও লাকা লামা খালাকতুল আফলাক। অর্থাৎ আল্লাহপাক মোহাম্মদ (সাঃ) কে যদি সৃষ্টি না করতেন, তাহলে আসমান যমিন, ভূ-মন্ডল, নভোমন্ডল কিছু সৃষ্টি করতেন না! এতেই প্রতীয়মান হয় যে, নবী মোহাম্মদ (সা.) এর জন্যই আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন! 
প্রত্যেক গোত্র প্রত্যেক কাওমের হেদায়েতের জন্য মহান আল্লাহপাক নবী বা রাসুল প্রেরণ করেছেন, প্রত্যেক নবীর পিঠে ছিল মোহরে নবুওয়াতের সীল! এই কারনে আল্লাহ তায়ালা প্রেরিত সকল নবী রাসুলগণ হলেন নিষ্পাপ। সকল সাহাবারা হলেন সত্যের মাপকাঠি।
৩. 
হযরত মোহাম্মদ (সা.) সম্পৰ্কে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন, ওয়ামা আরছালনাকা ইল্লা রাহমাতাল লিল আলামিন। অর্থাৎ আমি আপনাকে সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসাবে প্রেরণ করেছি। (সুরায়ে আম্বিয়া, ১০৭)। অর্থাৎ মানব, ফেরেশতা, জ্বিন, জীবজন্তু, উদ্ভিদ, তরুলতা, আগুন, পানি, জড় পদার্থ তথা সকল কিছুর জন্য রাসুল (সা.) রহমত। কিয়ামতের দিন আমাদের নবী, বিশ্বনবী (সা.) বলবেন ইয়া উম্মতি, ইয়া উম্মাতি। অর্থাৎ উম্মতের চিন্তার রাসুল পেরেশান থাকবেন। সেই রাসুল (সা.) ভালোবাসা এবং অনুসরণ আমাদের ঈমানের দাবি।

মাওলানা এম এ করিম ইবনে মছব্বির: আলেম ও গবেষক

আরও পড়ুন

×