জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়: বিজিএমইএ সভাপতি
‘জ্বালানি খাতে সংকট: উত্তরণে করণীয়’ শিরোনামে সংলাপে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬ | ০৯:২১ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:২৬
তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেওয়ার ফলাফল। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে বলেছিলাম, দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) প্রয়োজন। কিন্তু তখন কর্ণপাত করা হয়নি।
তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য আমাদের অন্তত তিন থেকে চারটি এফএসআরইউ সচল রাখতে হবে, যাতে একটি বিকল হলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস না নামে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ঝুঁকি কমাতে স্থলভিত্তিক টার্মিনালের দিকে যেতে।
বৃহস্পতিবার সমকাল আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। ‘জ্বালানি খাতে সংকট: উত্তরণে করণীয়’ শিরোনামে এ সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, সরকার যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা বলছে, তখন ‘হুইলিং চার্জ’ বা সঞ্চালন মাশুল নিয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। ৩২ পয়সার চার্জকে দুই টাকা করার প্রস্তাব দিলে কোনো বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসবে না। মার্চেন্ট পাওয়ার প্লান্টগুলোকে উৎসাহিত করতে হলে এই বাধা দূর করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে প্রায় ১২ লাখ সেচপাম্প রয়েছে, যা ডিজেলে চলে। এগুলোকে দ্রুত সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করতে পারলে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ শিল্পকারখানায় দেওয়া সম্ভব হবে এবং ডিজেল আমদানির ওপর চাপ কমবে।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমি একদম ক্যাটাগরি করে বলছি, জুলাই মাসের শেষে আমরা বলেছিলাম যে- এফএসআরইউ লাগবে আরও দুটো। কিন্তু কর্ণপাত করা হয় নাই। এই কর্ণপাত না করার কনসিকুয়েন্স হলো, আজকে এটা হচ্ছে। এ কারণে লাগবে যে, দুইটা লাইন আছে, ভবিষ্যতে আরও একটা লাগবে। তিনটা চলমান থাকতে হবে, একটা স্ট্যান্ডবাই। চারটা এনে চারটাই যদি চলমান রাখি তাহলে ওই অনুযায়ী আমাদের ডিমান্ড তৈরি হবে।
- বিষয় :
- বিজিএমইএ
- জ্বালানি সংকট
- শিল্প খাত