ছড়া-কবিতা
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:০৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
এস এম শহীদুল আলম
পায়রা-ফড়িং
পায়রা উড়ুৎ
ফড়িং ফুড়ুৎ
লাটিম ঘুরুৎ
বুকটা জুড়ুৎ;
উড়ুৎ-ফুড়ুৎ-ঘুরুৎ-জুড়ুৎ!
পাঁপড় কুড়ুৎ
‘শোলকা’ সুড়ুৎ
পাতিল ধুরুৎ
পাতাও ঝুরুৎ;
কুড়ুৎ-সুড়ুৎ-ধুরুৎ-ঝুরুৎ!
হা ফি য রে দ ও য়া ন
হাঁসের ছানা
হাঁসের ছানা
পথ অচেনা
মা শেখাবে
সাঁতার;
সাঁতার শিখে
সাগর-নদী
পাড়ি দিবে
কাতার!
প্র জী ৎ ঘো ষ
কালবৈশাখ
সবুজ পাতায় ঘেরা
বৃৃক্ষের ডাল
গরমের স্রোতে ভাসে
গ্রীষ্মের কাল।
বাগানে নতুন পাতা
দেয় হাতছানি
গরিবের টিন বেয়ে
ঝরে পড়ে পানি!
কালবৈশাখ আসে
ভয়ে জবুথবু
দুহাত পাতিয়া বলি-
বাঁচাও হে প্রভু!
ম জ নু মি য়া
পাখি তুমি
কত্তো মজা উড়ো তুমি
নিচে এসে ছুঁও ভূমি
খুঁটে খুঁটে খাও;
ইচ্ছে হলে আবার
দূরে উড়ে যাও!
পাখা আছে পাখা মেলে
উড়ে চলো হেসেখেলে
দেখো কতো কী যে;
গাছের ডালে বেঁধে বাসা
থাকো নিজে নিজে!
শা কে রা বে গ ম শি মু
লাল পলাশের দেশে
ছোট্ট গাঁয়ের পথে রঙিন জারুল ফুলের মেলা
লাল পলাশের বনের মাঝে ফিঙে-টিয়ের খেলা।
মাঠের বুকে সবুজ ধানে মন মাতানো ঢেউ
শালিক দোয়েল নৃত্য করে দেখলো নাতো কেউ।
রক্তরাঙা শিমুল দোলে বৃক্ষের উঁচু ডালে
শাপলা, কমল, শালুক ফোটে বিলে, নদী, খালে।
হিজল বনে হাসছে দেখো রাঙা হিজল ফুল
নদীর কূলে ঝরে পড়ে রাঙায় নদীর কূল।
বনের ফুল অই ঝুমকো জবা আলতা মেখে গায়
খেলছে প্রজাপতির সাথে পাতার নূপুর পায়।
ফুলের রানি রক্তগোলাপ ছড়ায় মধুর ঘ্রাণ
রূপ ও গন্ধে নয়ন জুড়ায়, মন করে আনচান।
বৃক্ষে হাসে রাঙা পলাশ, নেইকো রূপের শেষ
ফাগুন এলে কৃষ্ণচূড়ার রঙে ভাসে দেশ।
দেশরানি রোজ সাজে নানান পুষ্প গুঁজে কেশে
দেখবে তুমি আসলে কভু লাল পলাশের দেশে।
- বিষয় :
- কবিতা
