ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ছড়া-কবিতা

ছড়া-কবিতা
×

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬ | ০৭:০৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

আ বে দী ন  জ নী
মা যেন এক...

সূর্যমামার অনেক আগেই জাগে আমার মায় 
ঘুম থেকে চোখ মেলে মাকে পাই না বিছানায়।
রান্নাঘরে কুটনা-বাটার শব্দ কানে বাজে
ঝনঝনাঝন শুনে বুঝি বাসনকোসন মাজে।

সকাল হবার আগেই মায়ের রান্না করা শেষ
আমরা তখন ঘুমের দেশে থাকি নিরুদ্দেশ।
এইভাবে ধলপ্রহর থেকে দুপুর-বিকেল-সাঁঝ
নেই অবসর, একটানা মা করছে কত কাজ।

আমরা সবাই সারাটা দিন থাকি মায়ের পিছু
মা এটা দাও, মা ওটা দাও–বায়না কতকিছু।
সব মিটিয়ে কাজের পিছে ছুটছে মা ছুটছেই
আমার-তোমার আছে ছুটি, মায়ের ছুটি নেই। 

ক্লান্তি-ঘামেও থামে না মা, সামলাতে হয় সব
তাই তো বলি, মা যেন এক মেশিন নন-স্টপ!
 

শা হ রি য়া র  শা হা দা ত  
হাওয়ার চিঠি

আকাশপাড়ে চাঁদের আলো
জ্বলছে মিটিমিটি
ইচ্ছে করে মায়ের কাছে
পাঠাই হাওয়ার চিঠি। 

লিখছি চিঠি হাতের লেখায়
যায় ফুরিয়ে রাত
এই চিঠিটার টানতে ইতি
কাঁপছে কেন হাত! 

রাতজাগা চাঁদ, আমার মাকে
একটু খবর দিস্-
ফিরতি চিঠি আসুক, খোলা
হাওয়ার পোস্ট অফিস। 

হাওয়ার চিঠি মার ঠিকানায় 
জলদি যাওয়া হোক
মাকে বলো তাঁর না থাকায়
আমার বুকে শোক। 

হাওয়ার চিঠি পাবে তো মা?
ভাবছে আমার মন 
চিঠির প্রেরক আমি মায়ের 
সাতরাজার-ই ধন।
 

জা ন্না ত  হ ক  দি শা 
উড়ন্ত এক ঘুড়ি

মা যে সবার আপন
মা যে বুকের ধন
তাঁর পরশে সুখ যে মেলে
শান্ত থাকে মন।

কষ্ট-ব্যথা যান যে সয়ে
দেন না কভু ফেলে
মায়ের কোলে রাখলে মাথা
অপার শান্তি মেলে।

মায়ের স্নেহ, ভালোবাসার
হয় না কোনো জুড়ি
মা যেন রে নাটাইওয়ালা
উড়ন্ত এক ঘুড়ি!

বয়স: ৩+৩+৩+৩ বছর; ৭ম শ্রেণি, রংপুর গভঃ বালিকা বিদ্যালয়, রংপুর

 

শা ন্তা  ফা র জা না 
মাকে দেখি

পাখির ডানায় মাকে দেখি
মাকে দেখি ফুলে
মাকে দেখি খেলার মাঠে
ঢেউ খেলানো কুলে
নদীর মতো মা যে আমার
ছন্দিত তার তান
মা যে আমার ভালোবাসার
মন ভোলানো গান
গানে থাকে মায়ের হাসি
তানেও থাকেন তিনি
মায়ের কাছে সকল প্রাণী
অনেক অনেক ঋণী।

আরও পড়ুন

×