ভারতের সুরাটে পরিযায়ী-পুলিশ সংঘর্ষ
×
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২০ | ০৪:০৫ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে আবার উত্তাল হয়েছে ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাট। বাড়ি ফিরে যাওয়ার দাবি নিয়ে শনিবার রাস্তায় নেমেছিলেন কয়েক’শ পরিযায়ী শ্রমিক।
বিক্ষোভে বাধা দিতে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। বিক্ষোভ হটাতে কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটানো হয়। তাতে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বেশ কয়েক জন আহতও হন। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।
এ দিনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে গত এক মাসে একাধিক বার এই ধরনের বিক্ষোভ দেখা গেছে সুরাটসহ গুজরাটের বিভিন্ন এলাকায়। তার মধ্যেই এ দিন পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে তেতে উঠল সুরাট। গয়না ও বস্ত্রশিল্পের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত সুরাটে লাখ লাখ পরিযায়ী শ্রমিকের বাস, যার ৯০ শতাংশই উড়িষ্যা থেকে গেছেন। লকডাউনে রোজগারপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পাঠাতে বিশেষ ট্রেনেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ পরীক্ষা না করে কাউকে রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের হাইকোর্ট। তার পরেই বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের জন্য যে চালু করা তিনটি ট্রেন বাতিল করে নবীন পট্টনায়ক সরকার। তার আগে ভিন্ রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে আসা বাস চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বিক্ষোভে বাধা দিতে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। বিক্ষোভ হটাতে কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটানো হয়। তাতে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে বেশ কয়েক জন আহতও হন। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।
এ দিনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে গত এক মাসে একাধিক বার এই ধরনের বিক্ষোভ দেখা গেছে সুরাটসহ গুজরাটের বিভিন্ন এলাকায়। তার মধ্যেই এ দিন পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে তেতে উঠল সুরাট। গয়না ও বস্ত্রশিল্পের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত সুরাটে লাখ লাখ পরিযায়ী শ্রমিকের বাস, যার ৯০ শতাংশই উড়িষ্যা থেকে গেছেন। লকডাউনে রোজগারপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পাঠাতে বিশেষ ট্রেনেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ পরীক্ষা না করে কাউকে রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া যাবে না বলে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের হাইকোর্ট। তার পরেই বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের জন্য যে চালু করা তিনটি ট্রেন বাতিল করে নবীন পট্টনায়ক সরকার। তার আগে ভিন্ রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে আসা বাস চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়।