ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২০ | ০১:৫৮ | আপডেট: ২০ মে ২০২০ | ০৩:৫৬

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশের শিশুদের মধ্যে বিরল প্রদাহজনিত উপসর্গ (মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেম্যাটরি সিনড্রোম) দেখা দিয়েছে। এটি নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণের জটিল লক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো শিশুর প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দিলে বিশেষ সতর্কতার অংশ হিসেবে তাদের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিতে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা।

সিএনএন অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) করোনাভাইরাস মহামারির পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছে। এই বৈঠকের পর শিশুদের প্রদাহজনিত উপসর্গের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সেই বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা অন্যান্য চিকিৎসকদের বলেছেন, অনেক সময় সর্দি-কাশি-জ্বরের মতো করোনাভাইরাসের স্বাভাবিক উপসর্গ শিশুদের নাও দেখা দিতে পারে। বরং পেট ব্যাথা বা বমির মতো উপসর্গের পাশাপাশি শিশুদের শরীরে জ্বরের সঙ্গে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নতুন এই উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর অনেক শিশুর হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়া মতো ঘটনা ঘটেছে। ফলে কোনো শিশুর এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিতে হবে। করোনাভাইরাসের সঙ্গে ক্রমেই এ ধরনের উপসর্গের যোগাযোগ স্পষ্ট হচ্ছে। যদিও অনেক শিশুর পরীক্ষার পর করোনাভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার দুই থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শিশুর শরীরে প্রদাহজনিত উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই বিষয়ে নজর রাখতে গত সপ্তাহে সিডিসি শিশু বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশ্যে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে। ওয়াশিংটন ডিসিসহ দেশটির ২০টি রাজ্য শিশুদের এ ধরনের উপসর্গের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

বাড়িতে কোনো শিশুর জ্বর, পেটে ব্যাথা, শরীরে র‌্যাশ ওঠা বা চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে চিসিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোর বরাত দিয়ে সম্প্রতি বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি রাজ্যে শিশুদের মধ্যে এ ধরনের উপসর্গ দেখা গেছে। নিউইয়র্কে এ ধরনের প্রদাহজনিত উপসর্গ নিয়ে আসা ৮২ জন শিশুর মধ্যে ৫৩ জনের হয় করোনা শনাক্ত হয়েছে নতুবা তাদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

×