সৌন্দর্যচর্চায় আজও জনপ্রিয় মধ্যপ্রাচ্যের যে ৫ প্রসাধনী
প্রতীকী ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:১৮
প্রাচীনকাল থেকেই নারীরা সৌন্দর্যচর্চায় নানা ধরনের উপাদান ব্যবহার করেন। সে সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রূপচর্চায় প্রাকৃতিক সব উপাদান প্রাধান্য পেত। কালের নিয়মে সে সব হারিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখনও হারায়নি সেসব প্রসাধনীর কার্যকারিতা। সামগ্রী। সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এখনও সে সব উপাদান কার্যকর করে তোলা যায়। প্রাকৃতিক উপাদানের সংস্পর্শে ত্বক হয়ে ওঠে কোমল ও সতেজ। মধ্যপ্রাচ্যের সৌন্দর্যচর্চায় জনপ্রিয় সেই রকমই কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতির কথা জানানো হলো।
কাদামাটি ও হলুদের প্রলেপ
প্রাচীনকাল থেকেই ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক কাদামাটি ও হলুদের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। এই ফেসপ্যাক অতিরিক্ত তেল শোষণ করে, ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং নিয়মিত ব্যবহারে ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। কাদামাটির বদলে মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন।
দুধ-গোলাপের ‘বডি সোক’
দুধের সঙ্গে গোলাপের পাপড়ির নির্যাস মিশিয়ে গোসল করার রেওয়াজ অনেক পুরনো। প্রাচীন রাজকীয় সৌন্দর্যচর্চার অংশ ছিল এই রীতি। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে কোমল করে, আর গোলাপের সুগন্ধ শরীর ও মনকে প্রশান্ত করে। চাইলে এই‘বডি সোক’ঘরেই তৈরি করতে পারেন। দুধে শরীর ডুবিয়ে গোসল করতে পারলেও সারা শরীরে তা ভালোমতো মেখে নিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন।
জবা ও হেনার হেয়ার মাস্ক
হেনা বা মেহেন্দির সঙ্গে জবা ফুল বেটে মিশিয়ে চুলে লাগানোর রীতি অনেক পুরনো। এটি চুলকে প্রাকৃতিকভাবে কন্ডিশন করে, উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও স্বাস্থ্যবান দেখাতে সাহায্য করে। চাইলে বাড়িতেই এমন হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে পারেন। চুলে এই মাস্ক কিছুক্ষণ রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
ঠোঁটের যত্নে খেজুরের রস
খেজুরের রস প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ঠোঁটে অল্প পরিমাণ লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে শুষ্কতা কমে। সেই সঙ্গে ঠোঁট নরম ও মসৃণ হয়।
অবাঞ্ছিত রোম তুলতে চিনির ‘হালাওয়া’
চিনি, লেবুর রস ও পানি দিয়ে তৈরি মিশ্রণ অবাঞ্ছিত রোম উঠাতে সাহায্য করে। মধ্যপ্রাচ্যে এই পদ্ধতির নাম ‘হালাওয়া’। যে কোনও ধরনের ‘ওয়্যাক্সিং’-এর চাইতে এটি নিরাপদ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি। নিয়মিত এই পদ্ধতি ব্যবহারে রোমের ঘনত্ব কমে। ত্বক পুড়ে যাওয়ার বদলে কোমল থাকে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন
- বিষয় :
- প্রসাধনী