ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সুর-ছন্দে রবীন্দ্রবন্দনা

সুর-ছন্দে রবীন্দ্রবন্দনা
×

প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির অনুষ্ঠানে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ০৭:০৮

| প্রিন্ট সংস্করণ

কবিতা, গান, নৃত্য ও কথামালায় চলল রবীন্দ্র বন্দনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির রবীন্দ্র জয়ন্তী উৎসব হয়ে উঠেছিল সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনমেলা।
একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহা, সংগীতশিল্পী ও প্রশিক্ষক মনজুর আহম্মেদ, মাবিলা অ্যান্ড ছৈয়দ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এসএম হারুনুর রশীদ, এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফ খান এবং আবৃত্তিশিল্পী ও প্রশিক্ষক রনী চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগীতশিল্পী শিবু মল্লিক, অনির্বাণ পালিত, আবৃত্তিশিল্পী নীহারিকা পাল এবং নৃত্যশিল্পী হৈমন্তী দে ও প্রাচী চৌধুরী।

প্রত্যয়ের সদস্য আয়েশা ছিদ্দিকা ইশা ও সৃষ্টি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ ফারুক রবি। তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ বাঙালি সাহিত্য ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা। প্রত্যয় প্রতিবছর রবীন্দ্রজয়ন্তী আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে তার কর্ম ও সৃষ্টি তুলে ধরছে।’
অন্য বক্তারা বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেবল বিশ্বকবি বা মহাজ্ঞানী হিসেবে ভাবলে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠবেন না। তাকে বন্ধু ও কাছের মানুষ হিসেবে ভাবতে পারলেই তার চেতনা, আবেগ ও ভালোবাসা মানুষের হৃদয়ে চিরন্তন হয়ে থাকবে। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন রবীন্দ্রনাথ। তার চেতনা মানুষকে সবসময় আলোর পথ দেখাবে।’
কথামালার পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক আয়োজন। রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে ১৩ জন শিল্পী কবিতা আবৃত্তি এবং ১২ জন শিল্পী রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেন নীহারিকা পাল ও হৈমন্তী দে।

আরও পড়ুন

×