তালবিন্দু একাডেমির তবলার বোল
তালবিন্দু একাডেমির বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বৃন্দ তবলা লহড়া পরিবেশন করছে শিক্ষার্থীরা সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ | ০৬:৫৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
তবলা শুধু একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি মানুষের অনুভূতি, সংস্কৃতি ও আত্মিক বিকাশের এক চিরন্তন প্রতীক– এমন মন্তব্য করেছেন তালবিন্দু একাডেমির প্রথম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের বক্তারা। তারা বলেন, ‘তবলার প্রতিটি বোল মানুষের হৃদয়ের গভীরে অনুরণন তোলে এবং সৃজনশীলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো তালবিন্দু একাডেমির জমকালো শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রয়াত তবলা সম্রাট জাকির হোসেন ও শুভঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্মরণ করা হয়। তালবিন্দু একাডেমির সভাপতি রূপম চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন শিল্পপতি ও সংগঠক লায়ন আর. কে. দাশ রুপু। প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পপতি ও সংগীতশিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজ। সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন তবলাশিল্পী ও তবলাগুরু চন্দন ধর। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী ও অধ্যক্ষ রিষু তালুকদার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘একজন শিল্পী যখন তবলা বাজান, তখন তিনি শুধু তাল রক্ষা করেন না; বরং নিজের মনের ভাব ও অনুভূতি প্রকাশ করেন। তার আঙুলের প্রতিটি আঘাত ও বিরতিতে যেন এক একটি গল্প ফুটে ওঠে। কখনো সেই গল্প আনন্দের, কখনো গভীর বেদনার, আবার কখনো ধ্যানমগ্নতার।’ স্বাগত বক্তব্যে তালবিন্দু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা তবলাশিল্পী অমর্ত্য চক্রবর্তী বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে আমাদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।’
শিল্পী পার্থ প্রতীম মহাজন ও ইতি সর্ববিদ্যার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অভিজিৎ চৌধুরী ও রঞ্জন কুমার সেন।
শেষে তবলাশিল্পী অমর্ত্য চক্রবর্তীর পরিচালনায় তালবিন্দু একাডেমির শিক্ষার্থীরা বৃন্দ তবলা লহড়া পরিবেশন করেন। উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী লিটন দাশ (কণ্ঠ), শিল্পী মিটন বিশ্বাস (মোহনবীণা) এবং তবলা ও হারমোনিয়ামে সঙ্গত করেন শিল্পী সজীব বিশ্বাস, দীপ্ত দত্ত ও নিলয় দত্ত। সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ ডান্স একাডেমি ও নাট্য শাস্ত্রমের শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করেন। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন হিল্লোল দাশ সুমন ও হৃদিতা দাশ।
- বিষয় :
- বিনোদন
