সাক্ষাৎকার : বেলায়েত হোসেন
হাসপাতাল মালিকরা প্রতিশ্রুতি না রাখলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা
বেলায়েত হোসেন চেয়ারম্যান, সিডিএ
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৭:২৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের নির্দেশেই নগরীর চার হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন করে সিডিএর একটি বিশেষ দল। পর্যায়ক্রমে নগরীর অন্য হাসপাতালগুলোতেও যাবেন তারা। যাবেন যানজটের কারণ হওয়া নগরীর বড় স্কুলগুলোতেও।
হঠাৎ কেন এমন অভিযান– এই প্রশ্নের জবাবে সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘এই শহরটা আমার, আপনার, সবার। এটাকে বাসযোগ্য করতে হলে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যানজটের কারণে শহরটা যদি থমকে যায় সেটির ক্ষতিও বহন করতে হবে আমাদের। যানজটের কারণে এক ঘণ্টার কাজ যদি তিন ঘণ্টাতেও আমরা করতে না পারি তাহলে সবার জীবন থেকে কতগুলো কর্মঘণ্টা প্রতিদিন হারিয়ে যাবে একবার কল্পনা করুন। এ জন্য যেসব প্রতিষ্ঠানের কারণে যানজট হচ্ছে সেগুলোকে চিহ্নিত করছি আমরা। তাদের কথাও শুনছি। কিন্তু আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই কারও– সেই কথাটিও তাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।’
শুধু কি চার হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ থাকবে আপনাদের অভিযান– এমন প্রশ্নের জবাবে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, পর্যায়ক্রমে সব হাসপাতালে যাব আমরা। যাবো স্কুল কলেজেও। শুরুতে যে চার হাসপাতালে গেছে পরিদর্শকদল তাতে অনেক অনিয়ম পাওয়া গেছে। অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন, গ্রাউন্ড ফ্লোরের বাধ্যতামূলক পার্কিং স্থান অবৈধভাবে অন্য কাজে ব্যবহার, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিধিবিধান অমান্য করে ভবন নির্মাণ এবং রোগীদের জন্য আবশ্যক পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করেনি এদের কেউই। এ কারণে সরাসরি জিইসি থেকে প্রবর্তক মোড় এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন।’
প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নকশা ও বাস্তব অবস্থা যাচাই করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে পরিদর্শকদল। তাৎক্ষণিক কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হতে পারে। তাই আপাতত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। তাদর সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময় সীমার মধ্যে তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। হাসপাতাল মালিকরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে সিডিএ।’
- বিষয় :
- সাক্ষাৎকার