ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

অন্তর্নিহিত দেবত্বের বিকাশ সাধন

অন্তর্নিহিত দেবত্বের বিকাশ সাধন
×
×

স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ

স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:০৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

এ কথা অনেককে বলতে শোনা যায়, পূজা আর কিছুই নয়; দেবতাকে উৎকোচ প্রদান। পূজা-উপচারে দেবতা খুশি হবেন, তখন তাঁর কাছ থেকে অভীষ্ট বস্তুলাভ– মামলায় জয়লাভ হবে; পুত্র-কন্যার পরীক্ষায় সাফল্যলাভ হবে; বেকার থাকলে কর্মসংস্থান হবে; ব্যাধিগ্রস্ত প্রিয়জন ব্যাধিমুক্ত হবে; মুমূর্ষু প্রিয়জন মৃত্যুর কবল থেকে ফিরে আসবে ইত্যাদি। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, দেবতার উদ্দেশে আমরা যে স্তবগান, যে প্রার্থনা উচ্চারণ করি তা তো শুধু ‘দেহি’; ‘দেহি’রই দীর্ঘ তালিকা:
‘ভার্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যনুসারিণীম্৷
রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি৷৷’’(চণ্ডী)
–হে দেবী, আমার মনোবৃত্তির অনুসারিণী অর্থাৎ আমার প্রতি একান্ত অনুরাগিণী সুন্দরী ভার্যা দাও৷ আমাকে রূপ দাও, জয় দাও, যশ দাও এবং আমার প্রতি যারা বিদ্বেষপূর্ণ অর্থাৎ যারা আমার শত্রু তাদের 
নাশ করো।

দেবতার উদ্দেশে স্তব-স্তোত্রাদি বাচ্যার্থে এটাই বোঝায়। কিন্তু পূজার প্রকৃত তাৎপর্যের সঙ্গে স্তব-স্তোত্রাদির প্রকৃত মর্মার্থ জ্ঞাত হলে বোঝা যায়– এ রকম ধারণা কত ভ্রান্ত। বস্তুত পূজার তাৎপর্যে কোথাও পার্থিব প্রাপ্তির ব্যাপার নেই। পূজার সমস্ত অঙ্গ, আনুষঙ্গিক অনুষ্ঠানাদি ও মর্মজুড়ে শুধু একটিই ভাব। সেই ভাব একান্তই আধ্যাত্মিক। পূজার সমগ্র প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবেই আধ্যাত্মিক। ভূমির মানুষ কীভাবে ভূমাকে স্পর্শ করতে পারে; ধরণীর ধূলিমলিন মানব কীভাবে স্বর্গের দেবতায় রূপান্তরিত হতে পারে– পূজার মধ্যে রয়েছে সেই পরম আকুতি। পূজা সান্ত মানুষকে অনন্তে উত্তরণ করাবার একটি পদ্ধতি।
পূজার প্রক্রিয়ার মধ্যে আমাদের প্রাজ্ঞ পূর্বপুরুষগণ অনন্তে উন্নীত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে রূপ দিতে প্রয়াস পেয়েছিলেন। এই প্রয়াসের পেছনে ছিল তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার সম্পদ। পূজার মুদ্রা, অনুষ্ঠানাদি ও দর্শনের মধ্যে তারা তাদের অভিজ্ঞতাকে বিধৃত করে গেছেন। সাধারণ মানুষও যাতে উত্তরণের এই ‘বিজ্ঞান’-এর প্রতি আকৃষ্ট হয়, সে জন্য তারা পূজার অনুষ্ঠানাদির মধ্যে একটি আপাত ও লোকপ্রিয় রূপ সংযুক্ত করেছিলেন। সাধারণ মানুষ প্রথমেই উচ্চ দর্শনকে গ্রহণ করতে পারে না; তাদের সেই মানসিক প্রস্তুতিও থাকে না। 

পূজার মধ্যে সন্নিবিষ্ট ‘শুদ্ধি’, ‘ন্যাস’ প্রভৃতি অনুষ্ঠানের লোকপ্রিয় আবেদন অনস্বীকার্য৷ আবার পূজার সঙ্গে যুক্ত স্তব-স্তোত্রাদির মধ্যে যে পার্থিব প্রাপ্তির অঙ্গীকার রয়েছে তা সাধারণ মানুষকে সহজেই আকর্ষণ করে। কিন্তু মনে রাখতে হবে– ‘এহ বাহ্য’ এই সমস্ত অনুষ্ঠান এবং প্রার্থনার দুটি তাৎপর্য রয়েছে। একটি বাচ্যার্থ, অপরটি লক্ষ্যার্থ। ‘রূপং দেহি’ ইত্যাদিতে ‘রূপ’ প্রভৃতি শব্দের আপাত অর্থ আছে, আবার একটি মর্মার্থ বা নিগূঢ় অর্থও রয়েছে৷ যত ‘রূপ’ মানে যেমন বাহ্য সৌন্দর্য, তেমনি অন্তরের সৌন্দর্যও। ‘জয়’ মানে যেমন জীবন সংগ্রামে জয়লাভ, তেমনি অন্তরের সংগ্রামেও। অর্থাৎ প্রবৃত্তি ও নিবৃত্তির মানস সংগ্রামেও জয়লাভ। ‘ভার্যা’ মানে যেমন স্ত্রী, তেমনি যা ভরণীয়; অন্তরে একান্ত লালনীয়। অর্থাৎ ভক্তি। ঈশ্বরের প্রতি অব্যভিচারিণী অনুরক্তি।
‘শুদ্ধি’ ও ‘ন্যাস’ প্রভৃতি পূজার বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কেও একই কথা। ‘শুদ্ধি’র অর্থ শুদ্ধিকরণ এবং ‘ন্যাস’-এর অর্থ স্থাপন বা সমর্পণ। প্রথমে ‘শুদ্ধি’, তারপর ‘ন্যাস’। প্রথমে আচমনাদির দ্বারা পূজকের ‘দেহশুদ্ধি’ করতে হয়। পূজক প্রথমে নানা অশুদ্ধ উপাদান ও পদার্থে নির্মিত ও পূর্ণ তাঁর দেহভাণ্ডকে মন্ত্রপূত জল দ্বারা শুদ্ধ করেন। ‘দেহশুদ্ধি’র সময় তিনি ভাবেন, তাঁর দেহ সমস্ত মালিন্যরহিত; তাঁর মন অশুদ্ধ চিন্তারাশি থেকে মুক্ত হয়ে উঠছে এবং তাঁর আত্মা দেবময় হয়ে যাচ্ছে৷ এভাবে ‘বাহ্য-অভ্যন্তর’ বা দেহ-মন-আত্মা শুদ্ধিকরণের পর ‘জলশুদ্ধি’। গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরী, সরস্বতী, নর্মদা, সিন্ধু, কাবেরী– এই সপ্তনদী হিন্দু ঐতিহ্যে পবিত্রতম নদী বলে প্রসিদ্ধ। নদীমাতৃক ভারতবর্ষে এই নদীগুলো শুধু পবিত্রই নয়; এরা দেবী হিসেবে বন্দিতা, আবার জননীরূপেও পূজিতা। ‘জলশুদ্ধি’র সময় পূজক যে অপূর্ব মন্ত্রটি উচ্চারণ করেন, উদাহরণস্বরূপ এখানে তা উল্লেখ করা যেতে পারে:

‘ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী।
নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলেহস্মিন্ সন্নিধিং কুরু৷৷’
–হে নদীতমা, দেবীতমা, অম্বিতমা গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরি, সরস্বতি, নর্মদা, সিন্ধু ও কাবেরী, তোমরা এই জলপাত্রে (জলপূর্ণ কোশাকুশি) অধিষ্ঠান করো।
এই আহ্বান দ্বারা পূজার জলপূর্ণ পাত্রটি যেন পবিত্রতম সপ্তনদীর ক্ষুদ্র সঙ্গমে পরিণত হয়। এরপর সেই পবিত্র জল পূজার সমস্ত উপকরণে সিঞ্চন করে তাদের পরিশুদ্ধ করে নেওয়া হয়।
জলশুদ্ধির মন্ত্রটি আরেক দিক দিয়েও লক্ষণীয়। এই মন্ত্রের মধ্যে রয়েছে আমাদের পূর্বপুরুষদের জাতীয় সংহতির উদার উপলব্ধি। অবিভক্ত ভারতবর্ষের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে এই সাতটি নদী প্রবাহিত। সাংস্কৃতিক প্রেরণা ও ভাবের দিক থেকে হাজার হাজার বছর ধরে এই সপ্তনদী হিন্দু ভারতবর্ষকে এক অপূর্ব ঐক্য, প্রেরণার মন্ত্রে সংবদ্ধ করে রেখেছে। বস্তুত সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রেরণাই ভৌগোলিক ও রাষ্ট্রনৈতিক ঐক্যবোধকে সঞ্জীবিত করে। 

আমাদের পূর্বপুরুষেরা শুধু যে পূজার অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে নিজ দেহকে দেবময় করতে চেয়েছিলেন, তা নয়। আমাদের মাতৃভূমির ভৌগোলিক, রাষ্ট্রনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দেহকেও তারা দেবময় বলে ভেবেছেন। স্মরণ রাখা প্রয়োজন, আমাদের পূর্বপুরুষের কাছে ভারতবর্ষ শুধু মাতৃভূমি ছিল না। ভারতবর্ষকে তারা দেখেছেন পুণ্যভূমি ও দেবাত্মভূমিরূপে। এভাবে ভারতবর্ষ তাদের কাছে প্রতিভাত একটি আধ্যাত্মিক সত্তা হিসেবে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, পূজাকালে পূজকও ভাবেন, তাঁর আধিভৌতিক দেহটি ক্রমে দেবময় হয়ে একটি আধ্যাত্মিক সত্তাপ্রাপ্ত হয়েছে।
‘জলশুদ্ধি’র পর চতুষ্পার্শ্বের পরিমণ্ডলকে শুদ্ধ করার বিধি। সে কারণেই ‘আসনশুদ্ধি’র বিধান। যে আসনে বসে পূজক পূজা করেন সেই আসনকে শুদ্ধ করার জন্য পূজক ভূমির অধিষ্ঠাত্রী দেবী বসুন্ধরার কাছে প্রার্থনা করেন:
‘ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা।
ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্৷৷’ 
–হে পৃথিবী, তুমি লোকসমূহকে ধারণ করেছ। তুমি বিষ্ণুর দ্বারা ধৃতা। তুমি আমার আসনকে পবিত্র কর। পৃথিবী স্থৈর্য ও ধৈর্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী৷ তাঁর আশীর্বাদে পূজকের স্থৈর্য ও ধৈর্য সুদৃঢ় হবে। তিনি সংকল্পের দৃঢ়তাও লাভ করবেন। মনে কোনো চাঞ্চল্য এলে একাগ্রতা অসম্ভব। সেই কারণে স্থৈর্য, ধৈর্য ও সংকল্পের দৃঢ়তা একান্ত আবশ্যক। সে কারণেই ঐ প্রার্থনা। 
পূজার অনুষ্ঠানাদির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘ন্যাস’৷ জীবন্যাস, মাতৃকান্যাস, করন্যাস, অঙ্গন্যাস ইত্যাদির মাধ্যমে পূজকের দেহের প্রতিটি অঙ্গে পঞ্চাশৎ বর্ণের মাধ্যমে পঞ্চাশৎ বর্ণময়ী মাতৃশক্তিকে ‘ন্যাস’ অর্থাৎ স্থাপন করা হয়। বর্ণমালার পঞ্চাশটি বর্ণ আদ্যাশক্তির মন্ত্রময় অঙ্গ৷ এই ন্যাসের অপর উদ্দেশ্য হলো পূজক তাঁর ভৌতিক দেহের প্রতিটি অঙ্গকে ইষ্টসত্তায় ‘ন্যাস’ অর্থাৎ সমর্পণ করবেন। এর তাৎপর্য হলো, পূজক যেন তাঁর ভৌতিক দেহকে ত্যাগ করে চিন্ময়ত্ব প্রাপ্ত হলেন। বস্তুত পূজার অনুষ্ঠান ও অঙ্গাদির এই একতম উদ্দেশ্য– বহির্মুখী সত্তাকে ক্রমে অন্তর্মুখী করে নিজের অন্তর্নিহিত চৈতন্য সত্তার জাগরণ ঘটানো; অবশেষে চৈতন্য সত্তায় উন্নীত ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া।

প্রকৃতপক্ষে পূজা সেই পরম জাগরণেরই একটি প্রক্রিয়া। পূজাদর্শন সেই পরম প্রতিষ্ঠার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। 
পূজার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো নিজের ‘কাঁচা আমি’কে বিসর্জন দিয়ে ‘পাকা আমি’তে উত্তীর্ণ হওয়া। ‘পাকা আমি’তে উত্তীর্ণ হওয়ার অর্থ পূর্ণ মনুষ্যত্বে উত্তরণ। মানুষের যখন পূর্ণ মনুষ্যত্বে উত্তরণ ঘটে তখনই তার জীবনের চরিতার্থতা লাভ হয়। এই অবস্থারই অপর নাম দেবত্বে উত্তরণ। পূজায় রয়েছে মরমানুষের দেবময় হয়ে যাওয়ার পূর্ণ প্রতিশ্রুতি। পূজার মূলকথাই হলো দেবতা হয়ে দেবতার আরাধনা করা– ‘দেবো ভূত্বা দেবং যজেৎ।’ পূজার প্রতিটি অনুষ্ঠান ও স্তরের মধ্যে রয়েছে সেই সাধনার কথা, সেই উত্তরণের আহ্বান, সেই প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত। পূজার প্রতিটি অনুষ্ঠান পূজককে দেবময় করে তোলার সেই তাৎপর্যই বহন করে। বিগ্রহের ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’র পূর্বে পূজক নিজেকে শুদ্ধ করে নিজের চৈতন্য সত্তায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। অতঃপর তিনি বিক্রহের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ করেন। কারণ স্বয়ং দেবময় হয়ে তবেই দেবতার আরাধনার বিধি। তখন পূজ্য ও পূজক উভয়ের মধ্যে আর ভেদ থাকে না। এর তাৎপর্য হলো: আমি তখন আমারই পূজা করছি। পূজার মূল উদ্দেশ্য তা-ই; অদ্বৈতের উপলব্ধি।

মানুষ স্বরূপত ব্রহ্ম। দেবত্বই তার অন্তর্নিহিত স্বরূপ। সেই স্বরূপ প্রকাশের জন্য প্রয়োজন সাধনা, সংগ্রাম। পূজার মধ্যে নিহিত সেই সাধনা; সেই সংগ্রামের তাৎপর্য। ‘পূজা– বিজ্ঞান’-এর মর্মকথাটি স্বামী সারদানন্দ সংক্ষেপে অথচ অনবদ্যভাবে ‘লীলাপ্রসঙ্গ’তে বলেছেন: ‘তুমি কোন দেবতার পূজা করিতে বসিলে অগ্রেই কুলকুণ্ডলিনীকে মস্তকস্থ সহস্রারে উঠাইয়া ঈশ্বরের সহিত অদ্বৈতভাবে অবস্থানের চিন্তা তোমায় করিতে হইবে পরে পুনরায় তুমি তাঁহা হইতে ভিন্ন হইয়া জীবভাব ধারণ করিলে এবং ঈশ্বর-জ্যোতি ঘনীভূত হইয়া তোমার পূজ্য দেবতারূপে প্রকাশিত হইলেন এবং তুমি তাঁহাকে তোমার ভিতর হইতে বাহিরে আনিয়া পূজা করিতে বসিলে– ইহাই চিন্তা করিতে হইবে৷’ (২য় ভাগ, ১৩৫৮, গুরুভাব: উত্তরার্ধ, পৃ. ২৬)

ভারতবর্ষের সনাতন ধর্ম কখনও ‘জড়’ বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। ‘জড়’ বলে যাকে অন্যেরা অভিহিত করে; সনাতন ধর্মের মতে তা চৈতন্যেরই প্রকাশভেদ মাত্র। আধুনিক বিজ্ঞানও আজ এ কথা বলছে। একইভাবে ভারতের সনাতন ধর্ম কখনও কোনো জীবকেই ‘জীব’ বলে দেখেনি। জীব আসলে ব্রহ্মই। অজ্ঞানবশত জীব জানে না যে, সে ব্রহ্ম। ‘‘জীব শিব’– এই অদ্ভুত সমীকরণ পৃথিবীকে ভারতবর্ষই প্রথম উপহার দিয়েছে। 
বিজ্ঞান এবং ধর্ম উভয়ের পরিসমাপ্তি একত্বের আবিষ্কারে, একত্বের উপলব্ধিতে। পূজার মতো একটি লোকপ্রিয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হিন্দুর ধর্ম সেই একত্বকে, সেই অদ্বৈতকেই আবিষ্কার ও উপলব্ধি করতে মানুষকে উদ্বুব্ধ করেছে। পূজা-বিজ্ঞানের এই তত্ত্বটি আমাদের সকলেরই জানা একান্ত প্রয়োজন। 

অধ্যক্ষ ও সম্পাদক, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা

আরও পড়ুন

×