টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল নিয়ে এখনই ভাবছেন না শান্ত
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:৩৩
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজ জয়ের হাতছানি। ডারউইনে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তদের। তবে এত বড় জয়ের পরও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কিংবা সিরিজ জয়ের হিসাব নিয়ে এখনই ভাবতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার লক্ষ্য, ম্যাচ ধরে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজেদের প্রক্রিয়া ঠিক রাখা।
ডারউইনের জয়ের পর শান্তকে প্রশ্ন করা হয়, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোর পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ টেস্ট দলের জন্য এটি অনেক বড় অর্জন। আমি আগেও বলেছি, এটি আমাদের সবচেয়ে বড় জয়। তবে এই মুহূর্তে আমি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিয়ে ভাবছি না। আমরা এখনো টেস্ট দল হিসেবে খুব বেশি অভিজ্ঞ নই। অধিনায়ক হিসেবে আমি সবসময় সিরিজ ধরে, কখনো কখনো ম্যাচ ধরে ভাবি। সামনে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে অবশ্যই আমাদের সুযোগ থাকবে। তবে এই মুহূর্তে এত দূরের কথা ভাবছি না।’
প্রথম সেশনে বাংলাদেশের পেসারদের পারফরম্যান্সই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছিল বলে মনে করেন শান্ত। বিশেষ করে হাসান মাহমুদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ শান্ত। কাউন্টি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে তাঁকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘হাসান অসাধারণ ছিল। সে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করছে। এখানে আসার আগে সে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানেও ভালো করেছে। তাই এ ধরনের কন্ডিশনে বল করার অভিজ্ঞতা তার আছে।’
বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন শান্ত। তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের অভিজ্ঞতা দলের কাজে এসেছে বলে মনে করেন তিনি। ‘তাইজুল ও মিরাজ, আমাদের দুজন মানসম্পন্ন স্পিনার। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজ কন্ডিশনটা খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। তারা অনেক টেস্ট খেলেছে, নিজেদের ভূমিকা জানে। তাদের পারফরম্যান্স দেখে আমি সত্যিই খুশি।’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয়ের পর পরের টেস্টে সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শান্ত আবারও প্রক্রিয়ার কথাই বলেছেন, ‘এই জয় আমাদের অনেক আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু এই টেস্টের আগে যেমন বলেছিলাম, আমরা পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম। পরের টেস্টেও একই বিষয়। আমাদের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে এবং সেটি উপভোগ করতে হবে।’