বিরল চার বাঘ শাবকের নাম রাখা হলো নদীর নামে
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২২ | ০৬:০২ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২২ | ০৬:০২
নদীর নামের সাথে মিল রেখে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া বিরল চার বাঘ শাবকের নামকরণ করেছেন চিড়িয়াখানা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।
সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ চারটি সাদা বাঘের নামকরণ করেন জেলা প্রশাসক। এর আগে চারটি সাদা বাঘ শাবককে দেখতে চিড়িয়াখানায় যান তিনি।
মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দুটি নদীর নাম সাঙ্গু ও হালদা। এছাড়া মেঘনা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তর নদী এবং পদ্মা আমাদের স্বপ্নের সেতু। এই চার নদীর সঙ্গে মিল রেখে সদ্য জন্ম নেয়া চারটি সাদা বাঘ শাবকের নাম পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু ও হালদা রাখা হয়েছে।তিমি আরও বলেন, বাঘ 'রাজ' ও বাঘিনী 'পরী'র ঘরে চার সাদা বাঘ শাবকের জন্ম নেয়ার বিষয়টি আমাদের সবার জন্যই আনন্দের বিষয়। এর ফলে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘের সংখ্যা বেড়ে ১৬ টিতে দাঁড়িয়েছে। চিড়িয়াখানার ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের সুদীর্ঘ পরিকল্পনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, জন্মের পর থেকে শাবকগুলো মায়ের সাথে আছে। চিড়িয়াখানা বা সাফারি পার্কে জন্ম নেওয়া বাচ্চা অনেক সময় জন্মের পর মা বাচ্চাকে দুধ খাওয়ায় না। তবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেয়া চারটি শাবককে তাদের মা দুধ খাওয়াচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক দিক।
তিনি আরও বলেন, খাঁচার ভেতরে থাকা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে মা ও বাঘ শাবকগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে। প্রতিটি বাঘ শাবকের ওজন প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম হয়েছে। একসপ্তাহ পর এদের লিঙ্গ পরিচয় জানা যাবে।
এর আগে গত শনিবার চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাজ-পরী দম্পতি একসাথে চারটি সাদা বাঘ শাবক জন্ম দেয়। ২০১৬ সাল থেকে চিড়িয়াখানায় পরীর সঙ্গী বাঘ রাজ। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৩৩ লাখ টাকা দিয়ে ১১ ও ৯ মাস বয়সী দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আনা হয়। এরপর পুরুষটির রাজ ও মাদিটির নাম পরী দেওয়া হয়। ২০২১ সালের ৬ মে রাজ-পরীর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তিনটি সাদা শাবকের জন্ম হয়।
