হত্যার ৯ বছর পর ৩ জনের ফাঁসির আদেশ
রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ -সমকাল
দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৭:০৫
দিনাজপুরে ৯ বছর আগে চাঞ্চল্যকর ওয়াকিল উদ্দীন মন্ডল হত্যামামলায় ৩ জনের ফাঁসি ও ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদলত। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ মো. আনোয়ারুল হক এই রায় প্রদান করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খয়েরবাড়ী (মির্জাপুর) গ্রামের মৃত সাহেব উদ্দীনের ছেলে মো. মোসলেম উদ্দিন (৪৫), একই এলাকার মো. জাফর উদ্দিনের ২ ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে বুলবুল ও মো. মামুনুর রশিদ ওরফে মিলন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- একই এলাকার মো. মজিবর রহমানের ছেলে সোহেল রানা ওরফে বাবু (২৫)। মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী মোছা. মেহেরুন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর উপজেলার মির্জাপুর খয়েরবাড়ী মৌজার ১ দশমিক ৩৩ শতকের ১টি পুকুর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিহত ওয়াকিল উদ্দীন মন্ডলের ভগ্নিপতি মনজের আলীর সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন ২০১১ সালের ২৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টায় আসামিরা ওই পুকুরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে। এসময় নিহত ওয়াকিল উদ্দীন মন্ডল আসামিদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে আসামিরা রামদা, কুড়াল, হাসুয়া ও ছোড়া হাতে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ওয়াকিল উদ্দীন মারা যান।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. বিলকিছ বানু ২৬ জুন বিরামপুর থানায় ৮ জনকে আসামি করে হত্যামামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে বিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রাজ্জাক মামলাটি তদন্ত করে আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালীন সময়ে ৫নং আসামি মো. ময়েজ উদ্দীন মারা গেলে বিচারক তার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেন।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আজিজুর রহমান ও আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট মাজহারুল ইসলাম সরকার।
- বিষয় :
- দিনাজপুর
- মৃত্যুদণ্ড
