ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সড়ক

বৃষ্টিতে ২০ স্থানে ভাঙন

বৃষ্টিতে ২০ স্থানে ভাঙন
×

কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সড়কের করিমগঞ্জ প্রান্তে ভাঙন -সমকাল

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৩ | ১৮:০০ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৩ | ০৪:২৯

করিমগঞ্জ-নিকলী হাওরে নির্মিত ‘রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সড়ক’ নির্মাণের দুই বছরেই ভাঙন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি হওয়া অতিবৃষ্টিতে এ সড়কের অন্তত ২০ জায়গায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে সব যানবাহন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, করিমগঞ্জের খয়রত এলাকা থেকে বড় হাওরের মাঝখান দিয়ে নিকলী পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিদিন শত শত হালকা ও ভারী যানবাহন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। আগে বর্ষাকালে খয়রত থেকে নিকলী সদরে নৌকায় যেতে হতো। সে সময় দুই ঘণ্টা লাগত। এখন লাগে ১৫ মিনিট। গতকাল মঙ্গলবার সড়কে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির করিমগঞ্জ প্রান্ত থেকে নিকলী পর্যন্ত অন্তত ২০টি জায়গায় ভাঙন দেখা গেছে। রাস্তাটি নির্মাণ করার সময় নদী থেকে ড্রেজিং করে বালু এনে রাস্তায় ফেলা হয়। সবখানেই বৃষ্টিতে বালু সরে গেছে। কোথাও সড়কে গর্ত হয়ে গেছে। সড়কটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন। নিকলীর কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সংযোগ সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

রাস্তাটি হওয়ায় অনেকে ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন বলে জানিয়েছেন চালক আবদুল হাই। তিনি বলেন, তাঁর চোখের সামনে এত সুন্দর রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে। দিনের বেলায় সাবধানে চলা যায়। কিন্তু রাতে অটো চালাতে ভয় লাগে। পার্শ্ববর্তী মরিচখালী বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী মুনিরুজ্জামান যোশেফ জানিয়েছেন, সরকার বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করে হাওরের বুকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি নির্মাণ করে দিয়েছে। অথচ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রাস্তাটি ভেঙে পড়ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তা মেরামতের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

নিকলী উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ ভূঁইয়া জনি জানিয়েছেন, তিনি রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সঙ্গে কথা বলেছেন। জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে সড়কের ভাঙা অংশগুলো মেরামত করা হয়েছে। এরই মধ্যে আরও ভাঙনের সৃষ্টি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×