ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সেই স্বামী-স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন

চাঁদপুরে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সেই স্বামী-স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন
×

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ মে ২০২০ | ০৩:৫৫ | আপডেট: ২০ মে ২০২০ | ০৪:১৮

চাঁদপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে মারা যাওয়া রাবেয়া বেগম (৭২) এবং তার স্বামী গণপূর্ত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান পাটওয়ারী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। বুধবার তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এর আগে গত ১৭ মে দু’জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠায় স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে জেলায় নতুন করে ১৮ জন করোনা আক্রান্ত  হয়েছেন। এ নিয়ে চাঁদপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে।

সকালে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্যাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বুধবার ৮৫টি নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৩ জন মৃত ব্যক্তি আছেন।

তিনি বলেন, শহরে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত স্বামী-স্ত্রীসহ মারা যাওয়া আরেকজনের রিপোর্ট করোনা পজেটিভ এসেছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা হলো ৮ জন। তিনি জানান, নতুন করে করোনা পজিটিভ আসা জীবিত ১৫ জনের মধ্যে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও চার সন্তান রয়েছে।

এর আগে সোমবার শহরের চিত্রলেখা মোড় এলাকার বাসায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মারা যান রাবেয়া বেগম। এরপর মঙ্গলবার ভোরে মারা গেছেন তার স্বামী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মজিবুর রহমান পাটওয়ারী।

একই বাসায় থাকা মজিবুর রহমানের ছেলে কলেজ শিক্ষক ছেলে এবং স্কুলছাত্র নাতি গত ছয়দিন আগে করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর থেকে তারা বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পরিবারের দু’জন সদস্য করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এবং তাদের কিছু উপসর্গ থাকায় রোববার তাদের নমুনা সংগ্রহ করে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

তাদের ছেলে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী পরিচালক (পিআর) আনোয়ার হাবিব কাজল জানান, আমার মা সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের চিত্রলেখা এলাকার বাসায় মারা যান। এরপর রাত সাড়ে ৩টায় আশিকাটি ইউনিয়নের হোসেনপুরের গ্রামের বাড়িতে দাফন করে শহরের বাসায় আসি। এর দেড় ঘন্টা পর মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে মারা গেলেন বাবাও। তিনি বলেন, আমরা সবার কাছে দোয়া চাই।

চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজেদা পলিন জানান, মারা যাওয়া দুইজনের ছেলে এবং নাতির করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে গত ১৩ এপ্রিল। যেহেতু তাদের পরিবারের দু’জন ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদেরও কিছু উপসর্গ ছিল। তাই ১৭ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করি।




আরও পড়ুন

×