ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষের গাদাগাদি, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষের গাদাগাদি, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব
×

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২০ মে ২০২০ | ১০:১৪ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাবে পিরোজপুরে দমকা ঝড়ো হাওয়া বয়ে চলছে। সেইসঙ্গে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। মানুষ ছুটছে আশ্রয়কেন্দ্রে। তবে করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও সেখানে গাদাগাদি করে অবস্থান করছেন তারা। 

পিরোজপুরের ৭টি উপজেলায় ২৩১টি সাইক্লোন শেল্টার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাকাভবনসহ ৭১২টি আশ্রয়কেন্দ্রে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

সদর উপজেলার শংকরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাইক্লোন সেল্টারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঘূর্নিঝড় আম্পানের কারণে সেখানে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তবে আশ্রয় নেওয়া এসব লোকজনের মধ্যে করোনাভাইরাসের বিষয়ে তেমন কোনো সচেতনতা নেই। অনেকের মুখে ছিল না মাস্ক। বিভিন্ন রুমে লোকজন একে অপরের গা-ঘেঁষে অবস্থান করছেন। মানা হচ্ছে না কোন সামাজিক দূরত্ব। 

শংকরপাশা ইউনিয়নের বাদুরা ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামসহ এ ইউনিয়নে পাঁচজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকি জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার দুইজন করোনা আক্রান্ত রোগীকে মঠবাড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে অন্য উপজেলার করোনা রোগীরা হাসপাতালে যায়নি। তারা নিজেদের বাড়িতেই আগের মতো কোয়ারেন্টাইনে আছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া লোকজনের মধ্যে যারা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ দেশের অন্য স্থান থেকে এসেছে তাদের আলাদা রুমে রাখার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে হাত ধোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সাবান ও হ্যান্ডওয়াশের ব্যবস্থা না থাকার জন্য বলা হয়েছে। একইসঙ্গে লোকজনকে মাস্ক পড়ে থাকা এবং একে অপরের কাছ থেকে দূরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। তবে এসব বিষয় মেনে না চললে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছেই।

আরও পড়ুন

×