শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে ঘরমুখো মানুষের ভিড়
শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড়
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২০ | ০৫:২৫ | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২০ | ০৬:০০
রাত পোহালেই ঈদুল আযহা। করোনা সংক্রমণের মধ্যেই শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে নারীর টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। গাদাগাদি করে পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। গত দুইদিনের চেয়ে শুক্রবার ভোর থেকে এই রুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ফেরিঘাট পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়ায় বেড়েছে যাত্রীদের ভোগান্তি।
শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত শিমুলিয়ায় ৩ নম্বর রো-রো ফেরি ঘাটের পদ্মা নদীর পাড়ে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হয়েছে। এর আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ৩ নম্বর ঘাটের সামনের রাস্তা, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একটি আধা পাকা স্থাপনা ও একটি মসজিদ। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ভাঙন শুরু হয়।
এরপরই ২ নম্বর ঘাটটিতে রো রো ঘাটের পন্টুন স্থাপন করে বৃহস্পতিবার থেকে রো রো ফেরি চলাচল শুরু করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিটিসি)। তারপরও ঘরমুখো যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ১৬টি ফেরির মধ্যে ১০টি ফেরি চলাচল করছে। তবে ডুবোচরে লৌহজং টার্নিং চ্যানেল বন্ধ থাকায় ৫ কিলোমিটার দূরের ভাটি ঘুরে বিকল্প চ্যানেলে চলাচল করায় ফেরিগুলোর গন্তব্যে পৌঁছাতে দুই গুণ বেশি সময় লাগছে।
বিআইডব্লিটিসির শিমুলিয়া ঘাটের কর্মকর্তা সাফায়েত আহমেদ জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে বর্তমানে ৫টি কে-টাইপ, ৩টি রো-রো ফেরি ও ২টি মিডিয়ামসহ ১০টি ফেরি চলাচল করছে। ডাম্প ফেরিগুলো প্রচণ্ড স্রোতের বিপরীতে চলতে না পারায় ৬টি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়েছে।