সীতাকুণ্ড
সৈকতে ডুবে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত। ছবি: সংগৃহীত
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬ | ১৭:৩৯ | আপডেট: ০২ মে ২০২৬ | ১৭:৪২
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে মো. মেহরাজ হোসেন নামের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর একটি কলেজের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিহত মেহরাজ। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ী এলাকার গাজী ডিপো বাই-লেনের মোশারফ আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, মেহরাজ ও তার বন্ধু মো: সাব্বির আরমান শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেরিঘাটের শেষ সীমানায় সাঁতার কাটতে নেমে জোয়ারের পানিতে ভেসে যায় মেহরাজ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ আরাফাত নামের এক যুবক বলেন, সন্ধ্যায় তারা দুজন ফেরিঘাটের শেষ সীমানায় সাঁতার কাটতে যান। সাঁতার কাটতে কাটতে একসময় মেহরাজ সমুদ্রে তলিয়ে যেতে শুরু করে। এ সময় তার বন্ধু সাব্বির তাকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে। একপর্যায়ে স্থানীয়দের চেষ্টায় লাল বোট দিয়ে দুজনকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু উদ্ধারের পর সাব্বিরের জ্ঞান ফিরলেও মেহরাজের জ্ঞান ফেরেনি।
পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, যে স্থানে তারা সাঁতার কাটতে গিয়েছিল, সেখান থেকে ফেরিঘাট নির্মাণের জন্য ড্রেজিং করে বালু উত্তোলন করা হয়। যার কারণেই গভীরতার কারণে এই পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় প্রতিদিন শত শত পর্যটক বেড়াতে আসেন। কিন্তু ড্রেজিং করার স্থানগুলোতে বিপদসংকেত দেওয়া থাকলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটত না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, মোহাম্মদ মেহরাজ নামের এক পর্যটককে সন্ধ্যার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সে তার আগেই মারা যায়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তবে এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলামকে তথ্য জানার জন্য ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- পানিতে ডুবে মৃত্যু
- এইচএসসি
