ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

রাউজানের সেই অপহরণ মামলায় বাদীর নারাজি, পিবিআইকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ

রাউজানের সেই অপহরণ মামলায় বাদীর নারাজি, পিবিআইকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ
×

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬ | ২০:৩৩

সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে করা অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজি দিয়েছেন বাদী। আজ সোমবার চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালত বাদীর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ডা. জাহাঙ্গীর আলম এই মামলা করেছিলেন। 

বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আড়াল করতে যে প্রতিবেদন দিয়েছিলেন, আদালত তা গ্রহণ না করে পিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছেন। 

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ডা. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে আসামি করা হয় রাউজান থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই টোটন মজুমদার, এসআই শাফায়েত আহমদ, পাইওনিয়ার হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. ফজল করিম বাবুল, পরিচালক মনজুর হোসেন ও সুপারভাইজার জাহাঙ্গীর আলমকে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হোসেন ইবনে নাঈম ভূঁইয়া গত ২৬ নভেম্বর সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। 

বাদী ডা. জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, তদন্ত কর্মকর্তা হোসেন ইবনে নাঈম এবং ১ নম্বর আসামি টোটন মজুমদার রাউজান থানায় সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। নিজের সহকর্মীদের রক্ষা করতেই মূল ঘটনা আড়াল করে আদালতে একটি মিথ্যা ও সাজানো প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তিনি। 

মামলায় ডা. জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল নোয়াপাড়ায় নিজের চেম্বারে রোগী দেখার সময় এসআই টোটন মজুমদার তাঁকে বিএনপির কমিটিতে নাম থাকায় ক্রসফায়ারের হুমকি দেন। প্রাণে বাঁচতে হলে তাঁর কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি পুরোনো মিথ্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হয়রানি করে।

আরও পড়ুন

×