ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম

অর্থ আত্মসাৎ: জনতা ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাকে ৮ বছর করে কারাদণ্ড

অর্থ আত্মসাৎ: জনতা ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাকে ৮ বছর করে কারাদণ্ড
×

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬ | ১৮:০০

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকের সাবেক ৫ কর্মকর্তাকে ৮ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একজন কর্মকর্তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। ঘটনার ২৬ বছর পর এ মামলায় রায় হলো।

দণ্ডিতরা হলেন- জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, একই শাখার সাবেক কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র মজুমদার, সাবেক কর্মকর্তা রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, সাবেক কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন, জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এসপিও (আইডি রিকন) মো. সাঈদ হোসেন। খালাস পেয়েছেন সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদা। এছাড়াও আরেক আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

দুদক পিপি অ্যাডভোকেট মো. এনামুল ইসলাম জানান, ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মামলার ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন ও সাইদ হোসেনকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর, ৪২০ ধারায় দুই বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। প্রত্যেককে ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। 

জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও গ্রাহক পারস্পরিক যোগসাজশে ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব থেকে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করেন। পরে সেই অর্থ বিভিন্ন চলতি ও এসটিডি হিসাবের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। বিশেষ পরিদর্শন টিমের তদন্তে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এ সব অনিয়ম সংঘটিত হয়। অনিয়মের ঘটনায় ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল কাসেম মিয়া নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আরও পড়ুন

×