নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর সন্ধান দাবি, হত্যার সন্দেহ
মিঠামইনের তমিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবারের মানববন্ধন সমকাল
মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৫৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে কোহিনুর আক্তার (১৬) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ছয় দিন ধরে খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনেরা। তার সন্ধান চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। কোহিনুরের স্বজনের ধারণা, তাকে হত্যার পর মরদেহ গুম করে ফেলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে মারা যান কোহিনুরের বাবা ফজলু মিয়া। এই কিশোরী মিঠামইন হেলিপ্যাডের পাশে ভাড়া বাসায় মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকত। সে পড়ত তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে।
কোহিনুরের মা নাহার বেগমের ভাষ্য, তাঁর মেয়ে পাশের হিন্দুপাড়ায় এক নারী শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ে। গত ২৭ জুন বিকেলেও সে জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যার পরও কোহিনুর বাড়ি না ফেরায় শিক্ষকের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তাঁর মেয়ে সেদিন পড়তে যায়নি। এরপর থেকে তারা নানা জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, কোহিনুরের সঙ্গে প্রতিবেশী অটোরিকশা চালক হৃদয়ের সম্পর্ক ছিল। নিখোঁজ হওয়ার দিন তাদের দুজনকে কথা বলতে দেখা গেছে।
এদিকে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের হামিদ পল্লীর পেছনে ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে একটি লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে লাশের সন্ধান পায়নি। তবে এলাকাবাসী ভাসমান লাশের ভিডিও করেন। সেটি দেখে নাহার বেগম মেয়ের লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন। পরবর্তী সময়ে মরদেহটি ওই এলাকায় দেখা যায়নি।
মিঠামইন থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, হৃদয়ের সঙ্গে কোহিনুরের সম্পর্ক ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। মেয়েটির লাশের সন্ধান চলছে। গতকাল কোহিনুরের ভাই শুভ মিয়া মামলা করেছেন। এতে হৃদয় ও তাঁর ভগ্নিপতি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছেন।
- বিষয় :
- দাবি
