চট্টগ্রাম বন্দর
তিন কোটি টাকার কাপড়সহ কনটেইনারের হদিস মিলছে না
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৬:১৯
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় তিন কোটি টাকার ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স সম্বলিত ৪০ ফুট লম্বা একটি কনটেইনারের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। নানা মাধ্যমে খোঁজ নেওয়ার পরও কনটেইনারের হদিস না পাওয়ায় যাবতীয় বিষয় উল্লেখ করে এ বিষয়ে বন্দর চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছেন এসআরএস সিন্ডিকেটের মালিক মো. হাফিজুর রহমান। শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের অনুকূলে আনা কাঁচামালের চালানটির খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
মো. হাফিজুর রহমান বলেন, কাস্টমস ও বন্দরের যাবতীয় চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলেও সেটির হদিস পাওয়া যায়নি। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এটির খোঁজ করেও কোনো তথ্য মেলেনি। কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় তিন কোটি টাকার কাপড় ছিল। এখন নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পেয়ে আমাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও চরম বিপাকে পড়েছে। এত দিন পরও কনটেইনারটির হদিস না পাওয়ায় তারা নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি পণ্য বায়ারের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে। এতে আর্থিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হতে হবে।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, প্রায় তিন কোটি টাকার ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স সম্বলিত ৪০ ফুট লম্বা একটি কনটেইনারের খোঁজ না পাওয়া-সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছি আমরা। এ ঘটনার যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সাভারের গোল্ড স্টার গার্মেন্টসের নামে আমদানি করা এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭ নম্বরের কনটেইনারটি ‘এমভি এমসিসি ডানাং’ জাহাজ থেকে গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে নামে। এরপর গত ২২ আগস্ট আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসআরএস সিন্ডিকেট পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।
পরে কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের রাজস্ব পরিশোধ করে গত ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ কনটেইনারটি কিপ ডাউন এবং ডেলিভারি দিতে পারেনি। তারা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কনটেইনারটি খুঁজতে বলে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তখন থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হন্যে হয়ে খুঁজেও কনটেইনারটির হদিস পায়নি। ঘটনাটি নিয়ে বিব্রত সবাই।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম বন্দর