টেকনাফে গ্রেপ্তারের পরদিন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ যুবক নিহত
বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২:২৫ | আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২:৪২
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় দুই যুবক গ্রেপ্তারের পরদিন পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছেন।
শনিবার ভোরে উপজেলার হ্নীলা রঙ্গীখালীর গাজী পাড়া সংলগ্ন পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে এই 'বন্দুকযুদ্ধে'র ঘটনা ঘটে জানিয়ে পুলিশ বলছে, নিহতরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।
নিহতরা হলেন- টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার গ্রামের দিল মোহাম্মদ ওরফে ইয়ার মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ আমিন ওরফে নুর হাফেজ (৩২) ও হ্নীলার সাব্বির আহম্মেদের ছেলে মোহাম্মদ সোহেল (২৬)। নুর হাফেজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগী।
শনিবার সকালে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস মুঠোফোনে পাঠানো ক্ষুদে বার্তায় এসব তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার ভোরে নুর হাফেজ ও সোহেলসহ চারজনকে ৮ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা ও ৬টি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের কথা জানায় র্যাব-১৫।
পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার নুর হাফেজ ও সোহেল জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তাদের কাছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্র সংরক্ষিত আছে। পরে শনিবার ভোরে পুলিশের একটি দল তাদের নিয়ে হ্নীলা রঙ্গীখালীর গাজী পাড়া সংলগ্ন পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে অভিযানে যায়। সেখানে নুর হাফেজ ও সোহেলের লোকজন পুলিশের কাছ থেকে আসামিদের ছিনিয়ে নিতে গুলি ছুঁড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। এ সময় নুর হাফেজ ও সোহেল গুলিবিদ্ধ হয়। এ ছাড়া পুলিশের পাঁচ সদস্যও আহত হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নুর হাফেজ ও সোহেলকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি প্রদীপ কুমার দাস বলেন, মাদক উদ্ধার অভিযানে গোলাগুলিতে দুই শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে ৯৫ হাজার পিস ইয়াবা, ৬টি দেশীয় অস্ত্র, ১৮ রাউন্ড কার্তুজ ও ১৮টি কার্তুজের খোসা পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
- বিষয় :
- কক্সবাজার
- টেকনাফ
- ইয়াবা
- বন্দুকযুদ্ধ
