সামরিক শাসন জারির জের
শেষ রক্ষা হলো না দক্ষিণ কোরিয়ার ইউন সুকের
ছবি: সংগৃহীত
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ০২:৫৪
আদালতের রায়ও বিপক্ষে গেছে দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের। গতকাল শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে ইউনের অভিশংসন বহাল রাখার পক্ষে ভোট দেন দেশটির সাংবিধানিক আদালতের বিচারকদের প্যানেল। এ রায়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির প্রেসিডেন্টের পদ থেকে তাঁকে অপসারণ করা হচ্ছে।
গত ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অযাচিতভাবে সামরিক আইন জারির দায়ে প্রেসিডেন্ট ইউন সুককে অভিশংসন ও বরখাস্ত করা হয়। তখন পার্লামেন্টের ভোটে তাঁকে সাময়িকভাবে অপসারণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, বিষয়টি সাংবিধানিক আদালত পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু এতেও শেষ রক্ষা হলো না ইউন সুকের। আগামী দুই মাস, অর্থাৎ পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ইউনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজধানী সিউলের রাস্তায় ইউন সমর্থক ও বিরোধী হাজারো বিক্ষোভকারী অবস্থান নিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হ্যান ডাক-স্যু জননিরাপত্তা বজায় রাখতে জরুরি আদেশ জারি করেছেন।
গত বছর তড়িঘড়ি সামরিক আইন জারি করে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দেন ইউন সুক ইওল। গতকাল আদালত রায়ে বলেছে, ইওলের সামরিক শাসন জারি ‘ন্যায়সংগত’ ছিল না। সাংবিধানিক আদালতের কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট বিচারপতি মুন হিয়ং-বে বলেন, জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। ওই পরিস্থিতি সেনা মোতায়েন ছাড়া ভিন্ন উপায়ে সমাধান করা সম্ভব ছিল।
- বিষয় :
- সামরিক শাসন জারি
