ব্যাংকের এমডিসহ ২ জনকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশ ছাড়লেন অভিযুক্ত দুই ভাই
ফাইল ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২০ | ১৩:০৪ | আপডেট: ২৯ মে ২০২০ | ১৩:২৩
এক্সিম ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে ‘চাপ প্রয়োগ’ ও গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই অভিযুক্তকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দীপু হক সিকদার। তারা সিকদার গ্রুপের কর্ণধার জয়নাল সিকদারের ছেলে।
এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গুলশান থানায় এই মামলা করেছে। ঋণের জন্য বন্ধকী সম্পত্তি বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের এমডি ও অতিরিক্ত এমডিকে হত্যা চেষ্টা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
দায়িত্বশীল সূত্র জানায়- করোনার এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাইল্যান্ডে সটকে পড়েছেন অভিযুক্ত দু’জন। ২৫ মে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই ভাই ব্যাংককে পাড়ি জমিয়েছেন। শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশন লিমিটেডের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককে গেছেন রন ও দিপু সিকদার। তারা দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী।
এসবির প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মীর শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, 'রন ও দিপু মেডিকেল ভিসা নিয়েই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চলে গেছেন। তারা কোনো মামলার আসামি কি না সে বিষয়ে আমরা ওই সময় অবগত ছিলাম না।'
দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২৫ মে সকাল ৯টা ১১ মিনিটে আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশন লিমিটেডের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দু’জন যাত্রী ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। সেটা ছিল সরকার অনুমোদিত একটি মেডিকেল ইভাকুয়েশন ফ্লাইট।
তারা দুইজনই আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশনের পরিচালক, আগেও তারা নিজেদের এয়ারক্রাফটে ব্যাংককে যাতায়াত করেছেন।
যে ফ্লাইটে তারা ঢাকা ছাড়েন, তার পাইলট ছিলেন একজন ফরাসী নাগরিক। তার সহকারী ছিলেন বাংলাদেশের একজন পাইলট। ক্রু হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন একজন থাই নাগরিক।
গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান সমকালকে বলেন, অভিযুক্ত দু’জন পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।